Shahtaj Munira Hashem Bd actress Hot and sexy Photos navel saree biodata height photos

 Shahtaj Munira Hashem Bd actress Hot and sexy Photos navel saree biodata height photos

Shahtaj Munira Hashem

​Actress | Model | Singer

​Biography

​Shahtaj Munira Hashem is a prominent Bangladeshi actress, model, and singer who has become a household name through her distinct look and versatile screen presence. Known for her "girl-next-door" charm and edgy personality, she first gained widespread recognition through high-profile television commercials (TVCs), most notably for major telecommunication brands in Bangladesh.

​She made her acting debut in the telefilm U-Turn (2014), which instantly put her in the spotlight. Since then, she has transitioned from a successful modeling career to becoming a sought-after actress in television dramas and streaming content. Beyond acting, Shahtaj is known for her interest in gaming and music, having released tracks like "Ure Jai" which showcased her vocal talent.

​Personal Details

  • ​Born: May 22, Dhaka, Bangladesh
  • ​Height: 5' 3" (1.60 m)
  • ​Nationality: Bangladeshi
  • ​Known For: Her unique fashion sense, creative social media presence, and expressive acting style.

​Photography (Selected)






BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স বিগত লিখিত পরীক্ষায় আসা ও সম্ভাব্য প্রশ্ন এবং সমাধান | Question and Answer for BRTA Driving License Written Exam

 BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স বিগত লিখিত পরীক্ষায় আসা ও সম্ভাব্য প্রশ্ন এবং সমাধান | Question and Answer for BRTA Driving License Written Exam 

ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তরের নমুনা (BRTA অনুমোদিত) 

খ) অগ্নিনির্বাপক গাড়ীঃ লাল-নীল বাতি ও বেল বাজিয়ে থাকেন।

গ) এম্বুলেন্সঃ লাল-নীল বাতি ও আলাদা হর্ন (সাইরেন) ব্যবহার করেন


১৪) প্রশ্নঃ জরুরী গাড়ীকে অন্যান্য যানবাহন কি ভাবে সুযোগ দিয়ে থাকে?

উত্তরঃ অন্যান্য যানবাহন চালকদের উচিত হবে যতটুকু সম্ভব রাস্তার বামে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা।


১৫) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশন কাকে বলে?

উত্তরঃ একাধিক রাস্তার মিলিত স্থানকে ইন্টারসেকশন বলে।


১৬) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশনে ঢুকার আগে চালকের কি করণীয়?

উত্তরঃ গতি কম করা/নিম্ন গিয়ার ব্যবহার করা/নিজের রাস্তায় থাকা, প্রয়োজনে থামা তারপর সর্তকতার সাথে যাওয়ার চেষ্টা করা।

 

১৭) প্রশ্নঃ ইন্টারসেকশনে ঢুকার পরে কি করণীয়?

উত্তরঃ সর্তকতার সাথে থামাতে প্রস্তুত থেকে অগ্রসর হওয়া।

১৮) প্রশ্নঃ ডান দিকে মোড় নিতে গেলে লাল বাতি জ¦লে উঠলে গাড়ী রাস্তার কোন পাশে দাঁড় করাবেন?

উত্তরঃ রাস্তার ডান পার্শ্বে।

১৯) প্রশ্নঃ লাল বাতি শেষে সবুজ বাতি জ্বলে গেলে কোন পথের গাড়ী আগে সুযোগ পাবে?

উত্তরঃ সোজা যাওয়ার গাড়ী আগে সুযোগ পাবে।

২০) প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং সাধারনত কোথায় থাকে?

উত্তরঃ গ্রাম অঞ্চলে যেখানে সারাদিনে ২-৩টি ট্রেন চলাচল করে।

২১) প্রশ্নঃ কোন কোন স্থানে হর্ন বাজানো নিষেধ?

উত্তরঃ যেখানে হর্ণ বাজানো নিষেধ বোর্ড আছে। হাসপাতাল এলাকা/আবাসিক এলাকা/আদালত/কোর্ট ভবন/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/উপাসনালয়।

২২) প্রশ্নঃ ওভারটেকিং এর সময়ে দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায় কি?

উত্তরঃ দর্শন আয়নার সাহায্যে পিছনের গাড়ীর গতি বিধি লক্ষ্য করা

২৩) প্রশ্নঃ ওভারটেক করার পূর্বে চালকের কর্তব্য কি?

উত্তরঃ দর্শন আয়নার সাহায্যে/ডানদিকের রাস্তা নিরাপদ কিনা লক্ষ্য রাখা/সম্মুখ হতে কোন গাড়ী আসছে কিনা দেখে নিরাপদ মনে করলে ইন্ডিকেটর দিয়ে ওভারটেক করা।

২৪) প্রশ্নঃ গাড়ীর সাধারণত স্কিডিং কোথায় হয়ে থাকে?

উত্তরঃ ভিজা রাস্তায় অতি দ্রæত চালালে, সকল হুইল সিলিন্ডার ব্রেক সমান ভাবে কাজ না করলে, রাস্তা পিচ্ছিল বা কর্দমাক্ত হলে, রাস্তায় বরফ বা ঘাস থাকলে। 

ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।

৪৬) প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন/কোন কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে গাড়ির কাগজ দেখাতে বাধ্য ?

উত্তরঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।

৪৭) প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?

উত্তরঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।

৪৮) প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?

উত্তরঃ  
ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস,
খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো,
গ. অনুমোদিত ওভারটেকিং এবং
ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন। 

৪৯) প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কী ?

উত্তরঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।

৫০) প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?

উত্তরঃ হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল। 

৫১) প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?

উত্তরঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।

৫২) প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারও বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

৫৩) প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ? 

উত্তরঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।

৫৪) প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ?

উত্তরঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপব্যক্তি, বধিরব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।

৫৫) প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই/ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।


৫৬) প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই/ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।

৫৭) প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই/ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।

৫৮) প্রশ্ন: প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান (private service vehicle) কাকে বলে ?

উত্তরঃ ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে। 

৫৯) প্র্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তরঃ ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার। 
ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়,
খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয় এবং
গ. তথ্যমূলক, যা প্রধানত আয়তক্ষেত্রাকার হয়। 

৬০) প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?

উত্তরঃ নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্য বর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে। 

৬১) প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?

উত্তরঃ করতে হবে বা অবশ্য পালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

৬২) প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নিদের্শনা প্রদর্শন করে ?

উত্তরঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

৬৩) প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন ?

উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।

৬৪) প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।

৬৫) প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।

৬৬) প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তরঃ ৩ (তিন) প্রকার। যেমনঃ (ক) বাহুর সংকেত, (খ) আলোর সংকেত ও (গ) শব্দ সংকেত।

৬৭) প্রশ্ন :  ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রম (sequence) গুলি কী কী ?

উত্তরঃ  লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।

৬৮) প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদশন করে ?

উত্তরঃ লালবাতি জ্বললে গাড়িকে থামুনলাইন এর পেছনে থামায়ে অপেক্ষা করতে হবে, সুবজবাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদবাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

১০৫) প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইনস্ট্রুমেন্ট  থাকে ?

উত্তরঃ (ক) স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়।

(খ) ওডোমিটার - তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়।

(গ) ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়।

(ঘ) টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়।

(ঙ) ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।


১০৬) প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?

উত্তরঃ (ক) হেডলাইট (খ) পার্কলাইট (গ) ব্রেকলাইট (ঘ) রিভার্সলাইট

(ঙ) ইন্ডিকেটরলাইট (চ) ফগ লাইট (ছ) নাম্বারপ্লেট লাইট।

১০৭) প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি  L অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এরদ্বারা কী বুঝায় ?

উত্তরঃ এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভার চালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।

 ১০৮) প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী ?

উত্তরঃ ইনসট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “L” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।

১০৯) প্রশ্ন : ফোরহুইল ড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বুঝায় ?

উত্তরঃ সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পেছনের দু-চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোরহুইল ড্রাইভ গাড়ি বলে।

১১০) প্রশ্ন : ফোরহুইল ড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?

উত্তরঃ  ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পেছনের দু-চাকাতে ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতে ড্রাইভ দিতে হয়।

১১১) প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?

উত্তরঃ টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।

১১২) প্রশ্ন : ফুয়েল গেজের কাজ কী ?

উত্তরঃ ফুয়েল বা জ্বালানি ট্যাংকে কী পরিমাণ জ্বালানি আছে তা ফুয়েল গেজের মাধ্যমে জানা যায়।

১১৩) প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক করতে হবে ?

উত্তরঃ  ফুয়েল বা জ্বালানি আছে কি না চেক করতে হবে।

১১৪) প্রশ্ন : পেট্রোল ইঞ্জিন স্টার্ট করতে ব্যর্থ হলে কোন দুটি প্রধান বিষয় চেক করতে হয় ?

উত্তরঃ
(ক) প্লাগ পয়েন্টে ঠিকভাবে স্পার্ক হচ্ছে কি না চেক করতে হয়।

(খ) কার্বুরেটরে পেট্রোল যাচ্ছে কি না চেক করতে হয়।

১১৫) প্রশ্ন : ফুয়েল ও অয়েল বলতে কী বুঝায় ?

উত্তরঃ ফুয়েল বলতে জ্বালানি অর্থাৎ পেট্রোল, অকটেন, সিএনজি, ডিজেল ইত্যাদি বুঝায় এবং অয়েল বলতে লুব্রিকেটিং অয়েল বা লুব অয়েল বা মবিল বুঝায়। 

১১৬) প্রশ্ন : অয়েল (মবিল) এর কাজ কী ? 

উত্তরঃ ইঞ্জিনের বিভিন্ন ওয়ার্কিংপার্টস (যন্ত্রাংশ) সমূহকে ঘুরতে বা নড়াচড়া করতে সাহায্য করা, ক্ষয়হতে রক্ষা করা এবং ইঞ্জিন পার্টস সমূহকে ঠান্ডা ও পরিষ্কার রাখা মবিলের কাজ।

১১৭) প্রশ্ন : কম মবিল বা লুব অয়েলে ইঞ্জিন চালালে কী ক্ষতি হয় ?

উত্তরঃ বিয়ারিং অত্যধিক গরম হয়ে গলে যেতে পারে এবং পিস্টন সিলিন্ডার জ্যাম বা সিজড্ হতে পারে।

১১৮) প্রশ্ন : অয়েল (মবিল) কেন এবং কখন বদলানো উচিত ?

উত্তরঃ দীর্ঘদিন ব্যবহারে মবিলে ইঞ্জিনের কার্বন, ক্ষয়িত ধাতু, ফুয়েল, পানি ইত্যাদি জমার কারণে এর গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় বিধায় মবিল বদলাতে হয়। গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রদত্ত ম্যানুয়াল/হ্যান্ডবুকের নির্দেশ মোতাবেক নির্দিষ্ট মাইল/কিলোমিটার চলার পর মবিল বদলাতে হয়। 


১১৯) প্রশ্ন : লুব অয়েল (মবিল) কোথায় দিতে হয় ?

উত্তরঃ ইঞ্জিনের ওপরের অংশে হেড কভার বা ট্যাপেট কভারের নির্ধারিত পোর্টে ক্যাপ খুলে মবিল দিতে হয়।

১২০) প্রশ্ন : ইঞ্জিনে অয়েল (মবিল) এর পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয় ?

উত্তরঃ  ডিপস্টিক এর সাহায্যে।

১২১) প্রশ্ন : কখন ক্লাচে চাপ দিতে হয় ?

উত্তরঃ
(ক) গিয়ার পরিবর্তন করার সময়।

(খ) ব্রেক করার সময় যদি গাড়ি থেমে যেতে চায় বা থামাতে হয়।


১২২) প্রশ্ন : টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হলে কী অসুবিধা হয় ?

উত্তরঃ টায়ার প্রেসার বেশি বা কম হওয়া কোনটিই ভালো নয়। টায়ার প্রেসার বেশি হলে মাঝখানে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, আবার টায়ার প্রেসার কম হলে দু-পাশে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে টায়ার তারাতারি নষ্ট হয়ে যায়। 

১২৩) প্রশ্ন : কোন নির্দিষ্ট টায়ারের প্রেসার কত হওয়া উচিত তা কীভাবে জানা যায় ?

উত্তরঃ টায়ারের আকার (size), ধরন (type) ও বোঝা (Load) বহন ক্ষমতার ওপর নির্ভরকরে প্রস্তুতকারক কর্তৃক সঠিক প্রেসার নির্ধারণ করা হয়, যা প্রস্তুতকারকের হ্যান্ডবুক/ম্যানুয়ালে উল্লেখ থাকে।

১২৪) প্রশ্ন : গাড়ি না চালালে টায়ার কী করা উচিত ?

উত্তরঃ  গাড়ি দীর্ঘসময়ের জন্য না চালালে টায়ার খুলেঠান্ডা স্থানে দাঁড় করিয়ে রাখা উচিত। অল্পসময়ের জন্য হলে চাকাগুলি মাটি হতে ওপরে উঠায়ে রাখা উচিত অথবা মাঝে মাঝে হাওয়া দেওয়া উচিত।

১২৫) প্রশ্ন : টায়ার রোটেশন কী ?

উত্তরঃ বিভিন্ন কারণে গাড়ির সবগুলো টায়ারের ক্ষয় সমহারে হয় না। গাড়ির চাকাগুলোর ক্ষয়ের সমতা রক্ষার জন্য একদিকের টায়ার খুলে অপরদিকে কিংবা সামনের টায়ার খুলে পেছনে লাগানোকে অর্থাৎ টায়ারের স্থান পরিবর্তন করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে লাগানোর পদ্ধতিকেই টায়ার রোটেশন বলে। এর ফলে টায়ারের আয়ু বহুলাংশে বেড়ে যায়।

১২৬) প্রশ্ন : ব্যাটারির কাজ কী ?

উত্তরঃ  
(ক) ইঞ্জিনকে চালু করতে সহায়তা করা।

(খ) পেট্রোল ইঞ্জিনের ইগনিশন সিস্টেমে কারেন্ট সরবরাহ করা।

(গ) সকল প্রকার লাইট জ্বালাতে এবং মিটারসমূহ চালাতে সহায়তা করা।

(ঘ) হর্ণ বাজাতে সাহায্য করা।


১২৭) প্রশ্ন : নিয়মিত ব্যাটারির কী পরীক্ষা করা উচিত ?

উত্তরঃ পানির লেভেল।

১২৮) প্রশ্ন : সময় ও প্রয়োজনমতো ব্যাটারিতে ডিস্টিল্ড ওয়াটার না দিলে কী হয় ?

উত্তরঃ ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কমে যায় এবং প্লেট নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

 

১২৯) প্রশ্ন : ব্যাটারির টার্মিনাল হতে মরিচা দূর করা হয় কেন ?

উত্তরঃ মরিচা সন্তোষজনক বৈদ্যুতিক সংযোগে বাধা দেয় এবং কালক্রমে টার্মিনালের ভিতর দিয়ে মরিচা পড়ে ও সম্পূর্ণ টার্মিনাল নষ্ট হয়ে যায়।

১৩০) প্রশ্ন : মরিচা পরিষ্কার করার পর টার্মিনালে কী করা উচিত ?

উত্তরঃ  গ্রিজ লাগানো উচিত।

১৩১) প্রশ্ন : মোটরগাড়িতে ব্যবহৃত ব্যাটারির ভোল্টেজ কত থাকে ?

উত্তরঃ  ৬ ভোল্ট এবং ১২ ভোল্ট থাকে। (বড় ট্রাকে এবং বাসে ২৪ ভোল্টের ব্যাটারিও ব্যবহৃত হয়ে থাকে)। 

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরীক্ষা দিতে চাচ্ছেন বিআরটিএ কর্তৃক প্রনীত লিখিত পরীক্ষার প্রশ ও সমাধান এবং এমসিকিউ প্রশ্ন সাজেশন অনুসরন করুন 


কম্বাইন্ড রাউটার নাকি ONU + রাউটার? বিদ্যুৎ বিল, পারফরম্যান্স ও সঠিক সিদ্ধান্ত

 কম্বাইন্ড রাউটার নাকি ONU + রাউটার? বিদ্যুৎ বিল, পারফরম্যান্স ও সঠিক সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশে বাসা-বাড়ি বা অফিসে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নেওয়ার সময় একটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়তে হয়—আমরা কি অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক ইউনিট (ONU) এবং রাউটার আলাদাভাবে কিনব, নাকি দুটি ডিভাইস একসাথে থাকা AC1200 কম্বাইন্ড (Combined) রাউটার ব্যবহার করব?

​অনেকেই মনে করেন এটি কেবল দেখতে কেমন বা তারের জঞ্জাল কমানোর বিষয়। কিন্তু বাস্তবে এই দুটি সেটআপের মধ্যে বিদ্যুৎ বিলের পার্থক্য, ব্যাকআপ পাওয়ারের সুবিধা, নেটওয়ার্কের স্থায়িত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদী খরচের হিসাব জড়িত। আজকের এই ব্লগে আমরা বিস্তারিত গাণিতিক হিসাবসহ দেখব কোন সেটআপে কত বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং আপনার জন্য কোনটি নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

​১. ডিভাইসগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রাথমিক ধারণা

​যেকোনো বৈদ্যুতিক ডিভাইসের বিদ্যুৎ খরচ নির্ভর করে সেটি কত ওয়াট (Watt) পাওয়ার টানে এবং দিনে কত ঘণ্টা সচল থাকে। ইন্টারনেট ডিভাইসগুলো সাধারণত দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই চালু রাখতে হয়।

  • ​ONU (Optical Network Unit): এটি ফাইবার অপটিক ক্যাবল থেকে আসা আলোক সংকেতকে ডিজিটাল ডাটায় রূপান্তর করে। একটি সাধারণ ONU-এর পাওয়ার কনসাম্পশন ৩ থেকে ৫ ওয়াট।
  • ​AC1200 ডাবল-ব্যান্ড রাউটার: এই রাউটারগুলো ২.৪ গিগাহার্টজ এবং ৫ গিগাহার্টজ—দুটি ফ্রিকোয়েন্সিতে ডাটা আদান-প্রদান করে। সাধারণ ব্যবহারে এগুলো ৭ থেকে ১২ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে।
  • ​AC1200 কম্বাইন্ড রাউটার: এটি এমন একটি ডিভাইস যেখানে ONU এবং রাউটার দুটোই এক সার্কিটে যুক্ত থাকে। আলাদা দুটি ডিভাইসের চেয়ে এটি পাওয়ার ব্যবহারে কিছুটা দক্ষ (Efficient) হয় এবং গড়ে ৭ থেকে ১০ ওয়াট বিদ্যুৎ টানে।

​২. বিদ্যুৎ বিলের গাণিতিক হিসাব ও তুলনা

​বাংলাদেশে আবাসিক বিদ্যুৎ বিলে ইউনিটের দাম ধাপ অনুযায়ী পরিবর্তন হয়। হিসাবের সুবিধার জন্য আমরা গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিল ৮ টাকা ধরে হিসাব করব।

​বিদ্যুৎ বিলের একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh) বা ইউনিট।

ইউনিট = (ওয়াট × ঘণ্টা) / ১০০০

​সেটআপ ১: ONU + রাউটার (আলাদা দুটি ডিভাইস)

  • ​ONU-এর খরচ: ৪ ওয়াট
  • ​AC1200 রাউটারের খরচ: ৮ ওয়াট
  • ​মোট পাওয়ার: ১২ ওয়াট
  • ​দৈনিক শক্তি খরচ: ১২ ওয়াট × ২৪ ঘণ্টা = ২৮৮ ওয়াট-ঘণ্টা = ০.২৮৮ ইউনিট
  • ​মাসিক শক্তি খরচ: ০.২৮৮ ইউনিট × ৩০ দিন = ৮.৬৪ ইউনিট
  • ​মাসিক বিদ্যুৎ বিল: ৮.৬৪ × ৮ টাকা = ৬৯.১২ টাকা

​সেটআপ ২: AC1200 কম্বাইন্ড রাউটার (একটি ডিভাইস)

  • ​মোট পাওয়ার: ৮.৫ ওয়াট
  • ​দৈনিক শক্তি খরচ: ৮.৫ ওয়াট × ২৪ ঘণ্টা = ২০৪ ওয়াট-ঘণ্টা = ০.২০৪ ইউনিট
  • ​মাসিক শক্তি খরচ: ০.২০৪ ইউনিট × ৩০ দিন = ৬.১২ ইউনিট
  • ​মাসিক বিদ্যুৎ বিল: ৬.১২ × ৮ টাকা = ৪৮.৯৬ টাকা

​৩. দুই সেটআপের বিস্তারিত তুলনামূলক ফিচার

  • ​মাসিক বিদ্যুৎ খরচ: ONU + রাউটার সেটআপে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে কম্বাইন্ড রাউটারে খরচ হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। অর্থাৎ কম্বাইন্ড রাউটারে বছরে প্রায় ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হয়।
  • ​পাওয়ার এডাপ্টার ও ক্যাবল: আলাদা সেটআপে ২টি এডাপ্টার লাগে। কম্বাইন্ড রাউটারে ১টি এডাপ্টার লাগে, ফলে তারের জঞ্জাল কম থাকে।
  • ​Mini UPS ব্যাকআপ: আলাদা সেটআপে মিনি আইপিএস ব্যবহার করলে ২টি আউটপুট ক্যাবল বা স্প্লিটার লাগে। কম্বাইন্ড রাউটারে ১টি সাধারণ ক্যাবলই যথেষ্ট।
  • ​ডিভাইস নষ্ট হলে ক্ষতি: আলাদা সেটআপে যেকোনো একটি নষ্ট হলে কেবল সেটিই পরিবর্তন করা যায়। কম্বাইন্ড রাউটারে কোনো এক অংশ নষ্ট হলে পুরো ডিভাইস বদলাতে হতে পারে।
  • ​আইএসপি (ISP) পরিবর্তনের স্বাধীনতা: আলাদা সেটআপে যেকোনো ইন্টারনেট প্রোভাইডারে অনায়াসে রাউটার ব্যবহার করা যায়। কিছু কম্বাইন্ড রাউটারে নির্দিষ্ট প্রোভাইডারের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।
  • ​হিট ম্যানেজমেন্ট: আলাদা সার্কিট হওয়ায় দুটি ডিভাইস কম গরম হয়। কম্বাইন্ড রাউটার ছোট বডিতে দুটি ফিচার থাকায় বেশি গরম হতে পারে।

​৪. বিদ্যুৎ বিল ছাড়াও যেসব বিষয় ভাবা জরুরি

​লোডশেডিং ও মিনি আইপিএস (Mini UPS):

বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেটের জন্য মিনি আইপিএস ব্যবহার করা খুব পরিচিত দৃশ্য। আপনি যদি আলাদা ONU ও রাউটার ব্যবহার করেন, তবে আইপিএস থেকে দুটি পোর্টে বিদ্যুৎ দিতে হয়। কিন্তু কম্বাইন্ড রাউটারে একটি মাত্র ৯ ভোল্ট বা ১২ ভোল্টের পোর্টে সংযোগ দিলেই চলে, যা আইপিএসের ব্যাটারি লাইফও কিছুটা বাড়িয়ে দেয়।

​রক্ষণাবেক্ষণ ও টেকসই হওয়ার ক্ষমতা:

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দিক থেকে কম্বাইন্ড রাউটার এগিয়ে থাকলেও, স্থায়িত্বের দিক থেকে আলাদা ONU ও রাউটার সেটআপ অনেক বেশি নিরাপদ। বজ্রপাত বা ভোল্টেজ ফ্ল্যাকচুয়েশনের কারণে যদি অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তবে সাধারণত শুধু ONU-টি নষ্ট হয়। রাউটারটি সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু কম্বাইন্ড রাউটারের ক্ষেত্রে পুরো ডিভাইসটিই একবারে অকেজো হয়ে যেতে পারে।

​৫. আপনার জন্য কোনটি উপযুক্ত?

  • ​কম্বাইন্ড রাউটার বেছে নেবেন যদি: আপনার ঘরের তারের জঞ্জাল অপছন্দ হয়, পাওয়ার সকেট কম থাকে, এবং আপনি সামান্য বিদ্যুৎ বিল ও আইপিএস ব্যাকআপ সাশ্রয় করতে চান।
  • ​আলাদা ONU + রাউটার বেছে নেবেন যদি: আপনি ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স, ডিভাইসের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যতে ইন্টারনেট প্রোভাইডার বা রাউটার সহজে আপগ্রেড করার সুবিধা চান।

​উপসংহার

​হিসাব অনুযায়ী, একটি AC1200 কম্বাইন্ড রাউটার ব্যবহার করলে আলাদা ONU+রাউটার সেটআপের তুলনায় মাসে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টাকা বিদ্যুৎ বিল কম আসে, যা বছরে ৩০০ টাকার কাছাকাছি। তবে কেবল বিদ্যুৎ বিলের এই সামান্য সাশ্রয় না দেখে আপনার ব্যক্তিগত ব্যবহার, বজ্রপাতের ঝুঁকি এবং ডিভাইসের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

চট্টগ্রাম জেলার অজানা তথ্য জেনে নিন

চট্টগ্রাম জেলার একটি সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল পরিচিতি নিচে তুলে ধরা হলো:



১. ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত।

সীমানা: উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও খাগড়াছড়ি জেলা; দক্ষিণে কক্সবাজার জেলা; পূর্বে বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলা এবং পশ্চিমে ফেনী জেলা ও বঙ্গোপসাগর।

২. প্রশাসনিক কাঠামো

উপজেলা: চট্টগ্রাম জেলায় মোট ১৫টি উপজেলা রয়েছে। (যেমন: পটিয়া, হাটহাজারী, সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, আনোয়ারা, বাঁশখালী, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি ও কর্ণফুলী)।

মহানগর: প্রধান শহরটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (CCC) দ্বারা পরিচালিত, যা ১৬টি থানায় বিভক্ত।

৩. অর্থনৈতিক গুরুত্ব (বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ড)

চট্টগ্রাম বন্দর: এটি বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, যার মাধ্যমে দেশের মোট আমদানী-রপ্তানির প্রায় ৮০-৯০% সম্পন্ন হয়। একে বাংলাদেশের অর্থনীতির "লাইফলাইন" বলা হয়।

শিল্পাঞ্চল: সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙা শিল্প, দেশের বৃহত্তম শিল্পনগরী (মিরসরাই ইকোনমিক জোন), এবং কালুরঘাট ও নাসিরাবাদ শিল্প এলাকা চট্টগ্রামের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

দেশের প্রথম ইপিজেড (EPZ): চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় দেশের প্রথম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন বা ইপিজেড অবস্থিত।

৪. প্রাকৃতিক ও দর্শনীয় স্থান

চট্টগ্রাম প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি। এখানকার প্রধান প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:

পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত: সূর্যাস্ত দেখার জন্য জনপ্রিয় দুটি সৈকত।

ফয়েজ লেক: পাহাড় ঘেরা একটি কৃত্রিম হ্রদ ও বিনোদন কেন্দ্র।

সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই: চন্দ্রনাথ পাহাড় (হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান), সহস্রধারা ঝর্ণা এবং খৈয়াছড়া ঝর্ণা।

মহামায়া লেক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ, যেখানে কায়াকিং করার সুবিধা রয়েছে।

ঐতিহাসিক স্থান: কোর্ট বিল্ডিং, ডিসি হিল, সিআরবি (CRB), এবং বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেনের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থান।

৫. ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ভাষা

ভাষা: চট্টগ্রামের মানুষের নিজস্ব একটি আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে, যা "চাটগাঁইয়া ভাষা" নামে পরিচিত। এটি বেশ সমৃদ্ধ এবং অনন্য।

এক নজরে চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম কেবল একটি জেলাই নয়, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির এক অনন্য রাজধানী।

Nusrat Imrose Trisha Hot Navel and Saree picture Complication

 Nusrat Imrose Trisha Hot Navel and Saree picture Complication













Last 7 Days Visitors