Tuesday, November 20, 2018

হাই কমোড ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা কী ?

মলত্যাগের জন্য অনেক আগে থেকে নিচু কমোডে উবু হয়ে বসার অভ্যাস চলে আসছে। তখন কোষ্ঠকাঠিন্য, হেমোরয়েডস (অর্শ্বরোগ), অন্ত্রের ক্যানসার এসব রোগেরপ্রকোপ তেমন ছিল না। তবে আধুনিক বসার পদ্ধতি বিশেষ করে উঁচু কমোডে, উঁচু হয়ে বসার পদ্ধতি স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করছে-এমনটাই বলা হয়েছে সম্প্রতি এক গবেষণায়। গবেষণাটি প্রকাশ হয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ইসরায়েলি ম্যাগাজিন 'জার্নাল অব মেডিকেল সায়েন্স'-এ।  

গবেষকরা বলছেন, অন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা (হেমোরয়েডস, অন্ত্রের প্রদাহ, কোলন ক্যানসার, পেলভিক ক্যানসার, মলত্যাগে সমস্যা ইত্যাদি) শহরে বেশি প্রচলিত। তবে  গ্রামাঞ্চলে তেমনটা নয়। এর একটি কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য আধুনিক বসার পদ্ধতিকে বা উঁচু কমোডে বসার পদ্ধতিকে।  

আধুনিক বসার পদ্ধতি যে রোগগুলো তৈরি করছে সেগুলো হলো :  

হেমোরয়েডস  
আধুনিক টয়লেট হেমোরয়েডস বা অর্শ্বরোগ রোগ বৃদ্ধি করে। কোলনের শেষ অংশ এবং মলদ্বারের অবস্থিত শিরায় অর্শ্বরোগ বা হেমোরয়েডস হয়। একে পাইলসও বলা যেতে পারে। যাদের পায়খানা শক্ত হয়, বিশেষ করে তাদের এই সমস্যা হয়। এভাবে বসা দুর্বল এবং ধীরগতির মলত্যাগ হওয়ায়। এতে মল ত্যাগ করতে বেশি চাপ দিতে হয়। তবে উবু হয়ে বসলে বিষয়টি সহজ হয়ে যায় এবং বেশি  চাপ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।  

অন্ত্রের প্রদাহ 
গবেষকরা বলেন, এভাবে বসলে পেশিতে চাপ দিতে হয় এর ফলে অন্ত্রে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এমনকি এ থেকে ক্যানসারও হতে পারে।  

ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন 
ব্লাডার খালি করে দিতে উবু হয়ে বসা বেশ ভালো। বিশেষত নারীদের প্রস্রাব বেশ ভালোমতো হয় এভাবে বসলে। অন্যদিকে উঁচু কমোডে বসলে ব্লাডার পুরোপুরি খালি হয় না। প্রস্রাব থেকে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়, যা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে।  

হার্ট অ্যাটাক 
ইসরায়েলের ডক্টর বারকোসিকিরোভ বলেন, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সঙ্গে উঁচু কমোডে বসার সরাসরি যোগ রয়েছে। তিনি বলেন, 'অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক বাথরুমে হয়। গবেষকরা ধারণা করছেন, চাপ দিয়ে মলত্যাগের জন্য এই সমস্যা হয়।' 

ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ 
এ ছাড়া উঁচু হয়ে বসা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ করতে পারে। কেননা এভাবে বসলে কমোড সরাসরি ত্বক স্পর্শ করে এবং এ থেকে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে পাবলিক টয়লেটে উঁচু কমোডে না বসার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।  

তাই যদি চিকিৎসকের নির্দেশ না থাকে উঁচু কমোডে বসার, তাহলে নিচু কমোডে উবু হয়ে বসার অভ্যাস করাই উত্তম বলেই পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।  
Share:

মানুষ অনেক সময় রাতে ভাল মন্দ স্বপ্ন দেখে থাকে। এই স্বপ্ন গুলো কার মাধ্যমে বা কে দেখান ?

স্বপ্ন তিন প্রকার।1.সত্যি স্বপ্ন(আল্লা প্রদত্ত) 2.মিথ্যা স্বপ্ন(শয়তান প্রদত্ত) 3.মনের চিন্তা(নিজের মনের চিন্তা থেকে)
Share:

জ্বীন আগুনের তৈরী জাহান্নামও আগুনের তৈরী তাহলে আগুন দিয়ে আগুনকে শাস্তি দিবে কিভাবে?

আল্লাহ তায়ালা "সূরা জ্বীন" এর ১৫ নাম্বার আয়াতে বলেছেন,وَ اَمَّا الۡقٰسِطُوۡنَ فَکَانُوۡا لِجَہَنَّمَ حَطَبًا অর্থঃ 'আর যারা সীমালঙ্ঘনকারী, তারা তো জাহান্নামের ইন্ধন'। এ থেকে জানা গেল যে, মানুষের মত জ্বিনরাও জাহান্নাম এবং জান্নাত দু'টিতেই প্রবেশকারী হবে। এদের মধ্যে যে কাফের সে জাহান্নামে যাবে এবং মুসলিম জান্নাতে যাবে। (মাটির সৃষ্টি মানুষ যেমন মাটির আঘাতে কষ্ট পায়, তেমনি আগুনের সৃষ্টি জ্বিন জাহান্নামের আগুনে কষ্ট পাবে।)
Share:

ট্যারা চোখ ভালো করার জন্য কি কোনো প্রন্থা আছে

এটা জন্মগত সমস্যা
তাই এর প্রতিকার হতে
পারে আবার নাও হতে পারে।
অনেকের এটা ভাল হয়
আবার কারো হয় না। আপনি একজন
চক্ষু ডাক্তার কে দেখান।
ভাল হতে তো পারে। তাই ডাক্তারের
পরামর্শ নিন।
Share:

স্বপ্নদোষ রোধে ইসবগুল ভুষির কোনো উপকারিতা আছে কি...?


না!! স্বপ্নদোষ এর সাথে ইসুবগুলের ভুসির খাওয়ার সাথে কোন সম্পর্ক নেই।


আসলে আপনি যদি যৌন বিষায়ক চিন্তাভাবনা, ও পর্ণছবি দেখেন তাহলে স্বপ্নদোষ হবেই এতে ইসুবগুলের ভুসির কোন কার্যকারি নেই।


তবে ইসুবগুলের ভুসি খেলে ধাতু ক্ষয় রোগ থেকে কিছু টা উপকার পাওয়া যায়।

Share:

মোটা হওয়ার জন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত কোনো ঔষধ আছে কি..?

ভুলেও মোটা হবার জন্য কোনো ধরণের ওষুধের উপর বিশ্বাস করবেন না। কারণ মোটা হবার জন্য সাধারণত যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেগুলো কেবল মাত্র মৃত্যু শয্যায় জীবনের শেষ চিকিৎসা হিসাবেই রোগীকে দেয়া হয়। যার ফলে রোগীর সুস্হ্য হয়ে ওঠার ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে শুধু। স্বাভাবিক লোক এমন ওষুধ ব্যবহারের ফলে মোটা হলেও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসাবে তার জীবনী শক্তি কমে যায়।
Share:

চরিত্রবান এবং চরিত্রহীন কাকে বলে ব্যাখ্যা করুন?

চরিত্রবান সর্বদা সত্যবলে,মিথ্যার আশ্রয় নেয় না,দেশকে ভালোবাসে,দেশের মানুষকে ভালোবাসে,নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে,কাউকে ঠকায় না, অশ্লীল ভাষায় কথা বলে না। মানুষের সেবা করতে পিছু পা হয়না, সুদ,ঘুষ খায় না। আশাকরি চরিত্রবান মানুষ কেমন হবে তা বোঝাই যাচ্ছে। 
চরিত্রহীন নোংরা কাজের সাথে যুক্ত থাকে,মানুষের ভালো দেখতে পারে না, অন্যায় ছাড়া চলতে পারে না। অন্যায়কে বন্ধু ভাবে। নিজের স্বার্থের কাছে কিছুই বড় না ভাবে। নিজের লোভ লালসা পূর্ন করতে মানুষ খুন পর্যন্ত করতে পারে।আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
Share:

Jsc তে এবার কীভাবে বৃত্তি দেওয়া হবে?এ প্লাস কি গড়ে দেওয়া হবে?ভালো করে একটু বুঝিয়ে দিবেন।?

এবার জেএসসিতে সকল বিষয়েই এ+ পেলেই গড়ে এ+ পাওয়া যাবে।আর এবার বৃত্তি দেওয়া হবে সর্বোচ্চ নাম্বারের ভিত্তিতে।অর্থাৎ কোনো উপজেলার মধ্যে অবস্থিত সকল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হবে।
Share:

পেট ব্যথা দূর করার উপায় কি?

সাধারণ আমাশয়, ফুড পয়জনিং ও বদহজম থেকে ব্যথা পেটজুড়ে থাকে। বমি বমি ভাব, পেটে শব্দ, পাতলা পায়খানা ইত্যাদি হয়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও পেটে ব্যথা হয়। * দীর্ঘদিনের পেটের ব্যথার সঙ্গে ওজন হ্রাস, রক্তশূন্যতা, দুর্বলতা ইত্যাদি সতর্কসংকেত। অন্ত্রে ক্যানসার বা টিবিরও লক্ষণ এই পেটে ব্যথা। তাই পেটের ব্যথাকে ছোট করে দেখবেন না। পেটে ব্যথা হলে কী করণীয়? যদি গ্যাসের কারণে পেটে ব্যথা মনে করেন এবং এর সঙ্গে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষণগুলো প্রকাশ না হয়, তাহলে গ্যাসের ওষুধ দিতে পারেন। সিরাপ দিতে পারেন। ব্যথা কমানোর জন্য অনেক ওষুধ আছে সেগুলো দিতে পারেন। তবে নিশ্চিত হতে হবে আপনার ঝুঁকির বিষয়গুলো হয়নি। হঠাৎ করে সমস্যা হয়েছে কি না, বমি হয়েছে কি না, জ্বর আছে কি না—এই বিষয়গুলো সঙ্গে না থাকলে খুব চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা করলেই হয়।
Share:

Leukemia কি? কিভাবে leukemia হয় এবং তার প্রতিকার কি?

লিউকেমিয়া হল এটি ক্লোনাল ম্যালিগন্যান্ট ডিজিজ যা ব্লাড স্টিম সেলের অস্বাভাবিক বিভাজনের ফলে হয়। রক্তের অসংখ্য শ্বেত কনিকা যা পুনরায় বিভাজনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে এবং কোষ বিভাজনের একটি ভিন্ন স্টেজে অবস্থান করে সেগুলো বোন ম্যারো এবং অন্যান্য রক্ত উৎপাদনকারী টিস্যুতে গিয়ে জমা হয়। এই অস্বাভাবিক টিস্যুগুলো অন্যান্য প্রত্যঙ্গের টিস্যুগুলোতে ছড়িয়ে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে অস্বাভাবিক টিস্যু উৎপন্ন করে ফলে সার্বিক রক্ত উৎপাদন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। এ কারনেই লিউকেমিয়ার রোগীদের রক্ত শূন্যতা, হেমারেজ, ও ইনফেকশনের মত লক্ষণ দেখা দেয়। রোগের কারণ: এ রোগের আসল কারণ এখনও অজানা। তবে নিম্নলিখিত কারণগুলোকে দায়ী করা হয়- রেডিয়েশন, রঞ্জনরশ্মি। আধুনিক বিশ্বে বিভিন্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিতে এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাপক প্রসারে লিউকেমিয়া রোগটি বেশি হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের পর জাপানিদের মধ্যে এই রোগ খুব বেড়ে যায়। সাইটোটক্সিক ড্রাগ- ক্যান্সারে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহারের ফলে এই রোগ হতে পারে। বিভিন্ন রকম কেমিক্যাল যেমন-বেনজিন নিয়ে যারা কাজ করে। কিছু কিছু ভাইরাসকে এই রোগের জন্য দায়ী করা হয়। রোগের লক্ষণসমূহ: লিউকেমিয়ার রোগীরা সাধারণত দুর্বলতা, রাতে ঘামানো, হালকা জ্বর নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকে।এ সকল উপসর্গ অতিরিক্ত শ্বেত কণিকা তৈরি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। প্লীহার আকার বৃদ্ধির ফলে রোগী পেটে ভার ভার বোধ করে। এছাড়া ঘটনাক্রমে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি ধরা পড়ে। কিছু ক্ষেত্রে রোগীর শ্বাসকষ্ট ও ঝাপসা দৃষ্টির সমস্যা হয়। এ রোগের মাত্রা বৃদ্ধি (একসিলারেটেড পর্যায়ে) পেলে জ্বর হয় তবে সংক্রমণ, অস্থিতে ব্যথা বা প্লীহার বৃদ্ধি হয়।
Share:

Last 7 Days