ইসুবগুলের ভুষির উপকারিতা অপকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

Plantago  ovata  নামক উদ্ভিদের বীজ হচ্ছে ইসুবগুল। একে ইসুবগুলের ভুষিও বলা  হয় এবং এটি জলগ্রাহি। ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানে এই উদ্ভিদের চাষ করা হয়। ইসুবগুলে ৭০% দ্রবণীয় এবং ৩০% অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। ইসুবগুলের ভুষি শুধু পরিপাকতন্ত্রের জন্যই উপকারী নয় এর আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। আজ তাহলে ইসুবগুলের ভুষির সেই উপকারিতাগুলোর কথাই জেনে নিই চলুন।

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

ইসুবগুলের ভুষির দ্রবণীয় ফাইবারের পানি শোষণের প্রকৃতির জন্যই মল নরম হতে সাহায্য করে। ইসুবগুলের ভুষির অদ্রবণীয় ফাইবার মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ২ চামচ ইসুবগুলের ভুষি ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার আগে।

২। ডায়রিয়া সারায়

এটি বিশ্বাস করা কঠিন যে ইসুবগুল একই সাথে পরিপাকের দুটি ভিন্ন ধরণের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। ইসুবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার অন্ত্রের পানি শোষণ করে ফুলে উঠে এবং তরল মলকে আবদ্ধ করে শক্ত করে ফেলে। ২ চামচ ইসুবগুল ৩ চামচ দইয়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার পর খান দিনে দুইবার করে। দইয়ের প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।

৩। ওজন কমায়

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। ইসুবগুল পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্র পরিস্কারেও সাহায্য করে ইসুবগুল। ওজন হ্রাসের সময় চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়ায় শরীরে অনেক বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। হঠাৎ করে কাঁচা খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে তা পাকস্থলীর জন্য বেশ ভারী হয়ে যায় তাই কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা তৈরি করে। সুস্থতার জন্য এই বর্জ্য পদার্থগুলো শরীর থেকে বাহির হয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ইসুবগুল পাকস্থলী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে অথবা খাওয়ার পূর্বে কুসুম গরম পানিতে ইসুবগুল ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে পেট ভরার অনুভূতি হয় এবং অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।

৪। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

ইসুবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের কোলেস্টেরল কমতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রে ফ্যাট ও অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের সাথে জেল গঠন করে বর্জ্যের সাথে বের হয়ে যায়। অন্ত্রের দেয়াল যাতে ফ্যাট শোষণ করতে না পারে তাতে সাহায্য করে ইসুবগুল।

এছাড়াও ডায়াবেটিস, পাইলস ও ফিশারের রোগীদের জন্য উপকারী ইসুবগুলের ভুষি। এসিডিটির সমস্যা সমাধানে এবং হজমক্রিয়ার উন্নতিতেও সাহায্য করে ইসুবগুল।  

সাবধানতা :

যেকোন খাবারই বেশি পরিমাণে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাই উপকারী ইসুবগুলের ও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। আর তা হল –

-             কখনো কখনো এটি পাকস্থলীতে টান সৃষ্টি করতে পারে। তাই এমন ক্ষেত্রে ইসুবগুল খাওয়া বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

-             যদি অ্যালার্জি দেখা দেয় তাহলেও দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান

-             যদি আপনার এপেন্ডিসাইটিস ও স্টোমাক ব্লকেজের মত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তাহলে ইসুবগুল খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন

-             ইসুবগুল অনেকক্ষণ আগে ভিজিয়ে না রেখে সাথে সাথে ভিজিয়ে পান করুন

রুম থেকে মশা তাড়ানোর জন্য কার্যকরী কোনো প্রাকৃতিক ব্যবস্থা আছে?

লেবু খণ্ড করে কেটে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতে বেশ কয়েকদিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে ঘরের মশা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতে করে মশা ঘরেই ঢুকবে না

আমার পেনিসের সাইজ কি ঠিক আছে?

আমার পেনিসের সাইজ উত্তেজিত অবস্থায় ৫.৫-৬ ইঞ্চি। কিন্তু নরমালি ৪ ইঞ্চি বা এর একটু কম। তাহলে আমার পেনিসের সাইজ কি ঠিক আছে? 
 
 .... 
answers :: আপনার পেনিসের সাইজ ঠিক আছে। স্বাভাবিক অবস্থায় যাদের পেনিস ৩ ইঞ্চি থেকে ৫ ইঞ্চি থাকে তাদের পেনিস স্বাভাবিক। তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই তিন ইঞ্চি পেনিস হলেও স্ত্রীকে পর্যাপ্ত পরিমাণ তৃপ্তি দেওয়া যাবে আর আপনার পেনিসটাও ঠিক আছে।

সহবাসের ক্ষেত্রে পুরুষের স্বাভাবিক সময় কতক্ষণ স্থায়ী হয়?

সুস্থ্য স্বাভাবিক পুরুষের সহবাসের সময় গড়ে ৭-১০ মিনিট। তবে সুস্থ্য থাকতে দুধ,ডিম,রসুন,মধু,কালজিরা ইত্যাদি পুষ্টিকর খাদ্য খাবেন ।

প্রথমবার যৌনমিলনের সময় কতক্ষণ ধরে মিলন করাটা পুরুষের জন্য স্বাভাবিক?

ব্যপার টি পূরোটাই ঐ সহবাস করা পুরুষের উপর নির্ভর করবে। কেনো ঐ পুরুষের  শারীরিক ও মানুসিক ভাবে সুস্থ্য থাকলে সে বেশি সময় ধরে সহবাস করতে পারবে। তবে নিম্ন হলেও ৫/৬ মিনিট বা ৩/৪ মিনিট হতে হবে । তবে দুশ্চিন্তা করবেন না প্রথম বার সহবাস করলে তা দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে।এবং ১ ঘন্টা রেস্ট নেওয়ার পর আবার সহবাসে লিপ্ত হলে আশা করি  একটু  বেশি সময় পাবেন।

প্রথমবার যৌনমিলনের সময় যোনিতে রক্ত পড়লে কি করতে হবে?


যৌনাঙ্গ কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিস্কার করুন। ভালো টিসু ব্যাবহার করুন। পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করুন। আশাকরি আস্তে আস্তে এমনেতেই রক্ত বন্ধ হয়ে যাবে। রক্ত বন্ধ না হলে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

লম্বা হওয়ার জন্য নিচের কাজগুলো করতে পারেনঃ

আপনি অবশ্যই লম্বা হতে পারবেন।আপনি লম্বা হওয়ার জন্য নিচের কাজগুলো করতে পারেনঃ    

  • রাতে ৮-৯ ঘন্টা ঘুমানো
  • প্রতিদিন সাইকেল চালানোর চেষ্টা করা
  • সাঁতার কাঁটা
  • প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস দুধ,কলা খাওয়া
  • মানসিক চাপ কমানো
  • মাছ,ডিম,মাংস এসব খাবার খাওয়া
  • প্রতিদিন অথবা মাঝে মাঝে রেলিং ধরে শরীর উঠা-নামার ব্যায়াম করা
  • টমেটো,মটরশুঁটি,সয়াবিন তেল জাতীয় খাবার কম খাবার চেষ্টা করা
  • দৌড়ানো
  • রাতে ঘুমানোর সময় পিঠ বিছানার মাঝ বরাবর রেখে ঘুমানো  

যৌন সমস্যার জন্য এলোপ্যথিক ভালো হবে নাকি হোমিওপ্যাথি ভালো হবে?

হোমিওপ্যাথি সবচেয়ে ভালো হবে পার্শপ্রতিক্রিয়া মুক্ত ভাবে তবে ধিরে ধিরে কাজ করবে। যৌন সমস্যার জন্য সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো হামদর্দ এর চিকিৎসা। বিঃদ্রঃ এলোপ্যাথিক চিকিৎসাও ভালো।

যোনিতে ব্যাথা করে। ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ খাওয়ার পরও ব্যাথ্য যাচ্ছে না, এখন আমার করণীয় কী?

বিবাহিত নাকী অবিবাহিত বললেন নাত! অনেকসময় যোনি পথে ছত্রাক আক্রমণের ফলে যোনি পথে প্রদাহ কিংবা ব্যথা হতে পারে। এছাড়া যোনি পথের সিস্ট থেকেও এটি হতে পারে। আপনি পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করুন। আর সবসময় যৌনাঙ্গ পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। আর ভালো একজন গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আশাকরি ইনশাল্লাহ আপনার সমস্যা দ্রুত সামাধান হয়ে যাবে।

আমার পেনিস আগের চাইতে নরম হয়ে গেছে ,কিভাবে শক্ত করবো মলম বা মেডিসিন কি খাবো জানা খুব দরকার

নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান দুধ, ডিম, কলা বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার আর প্রতিদিন সকালে রাতে কালোজিরা খান এবং কাঁচা রসুন সকালে এবং রাতে কেটে টুকরো টুকরো করে পানি দিয়ে গিলে খান। প্রতিদিন মধু খাবার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন আদা খান, লবঙ্গ খান। প্রয়োজনে কিছুদিন মাল্টিভিটামিন টেবলেট খেতে পারেন রেজিস্টার কম্পানির। আশাকরি উপরের খাবার গুলো নিয়মিত ১-২ মাস সেবন করতে পারলেই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার যৌনশক্তি কতটা বৃদ্ধি পেয়েছে আর আশাকরি ইনশাআল্লাহ সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। সমস্যা বেশি মনে করলে হামদর্দ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আপনার সমস্যা সম্পূর্ণ ভাবে ভালো করা সম্ভব বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগে।

Normeans ট্যাবলেট খাওয়া অবস্থায় সহবাস এর পর ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভপিল (I-Pill,Norix,Emcon) খেলে কি প্রেগন্যান্সির সম্ভাবনা আছে?

আমি ঢাকা থাকি,বিয়ে হয়েছে ১ মাস.২১ তারিখ ২ দিনের ছুটিতে বাসায় জাবো,স্ত্রী জানালো ১৮ তারিখ থেকে তার পিরিয়ড শুরু হতে পারে.তাই তাকে Normeans ট্যাবলেট খেয়ে পিরিয়ড হওয়া কিছুদিন এর জন্য অফ রাখতে বলেছি,সে নরমিন্স খাচ্ছে দিনে ৩ বেলা.আমার জানা মতে যেদিন থেকে পিরিয়ড শুরু হোক সে চাচ্ছে তার আগের দিন থেকে নরমিন্স খাওয়া অফ করে দিবে,এমতাবস্থায় যদি ২১,২২ তারিখে সহবাস এর পর ইমারজেন্সি পিল খাওয়াই তাহলে কি নরমিন্স এর প্রভাবে ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল এর কারজোক্ষমতা কমবে?

প্রেগন্যান্সির সম্ভাবনা আছে?       
answer::;pregnancy এর সম্ভাবনা নেই। যেহেতু মিলনের পর Emergency pill খাওয়াবেন তাই pregnant হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এসব Emergency পিলে অনেক পার্শপ্রতিক্রিয়া থাকে।

সেক্স করার ১২ ঘন্টার মধ্যে i-pill খেলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে,?

কোন সম্ভাবনা নাই। প্রথমত এটা একটা  ইমার্জেন্সি পিল যা ৭২ ঘন্টার মধ্যে খেলেই চলে। সেখানে ১২ ঘন্টার মধ্যে খাওয়াইলে অবশ্যই হবে।  দ্বিতীয়ত এটা খেলে মাসিকের তারিখ পিছিয়ে যেতে পারে। যার কারণে ১-২ সপ্তাহ আপনার অপেক্ষা করা লাগতে পারে পরবর্তী ১-২ সপ্তাহ মাসিকের জন্য। এছাড়া এটা খেলে - 


  • বমিভাব হতে পারে।
  •   মাথা ব্যথা হতে পারে।
  •   পেট ব্যথা হতে পারে।

পুরুষাঙ্গের পাশে চুলকানি ও ফোরা ফোরা দুর করব কিভাবে ?


আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার রাখুন সবসময়। আক্রান্ত স্থানে Ecomet ইকোমেট ক্রিমটি কিছুদিন ব্যাবহার করুন। যে কোনো ভালো ফার্মেসিতে পাবেন। আশাকরি আপনার সমস্যা সামাধান হয়ে যাবে।


আক্রান্ত স্থান স্যাভলন পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। সরকারি হাসপাতালে ফ্রিতে চুলকানির মলম পাবেন। খুবই উপকারী। কয়েকদিন লাগালেই সেরে যাবে।

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন ?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন ?
স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।
এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া।
কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।
বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত।
সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।
তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।
# গোসলের সঠিক নিয়মঃ-
(সর্বোৎকৃষ্ট নিয়ম হচ্ছে সুন্নাহ অনুযায়ী গোসলের ফরজ বিধান মেনে গোসল করা)
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু নিয়ম হলো:-
প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।
এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।
এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় পরিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন।
সবাই শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

কেন সবাই বিসিএস ক্যাডার হতে চায়?

কেন সবাই বিসিএস ক্যাডার হতে চায়?
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস সংক্ষেপে বিসিএস নামে পরিচিত। কোথাও বিসিএস নিয়ে সামান্য কিছু একটা হলেই অনার্সের ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে ছেলে-মেয়েদের জন্য পাত্র-পাত্রী খোঁজ করা পিতা-মাতা পর্যন্ত মোটামুটি সবাই কান খাড়া করেন। চাকরিপ্রার্থীদেরও পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে বিসিএস। রবার্ট ব্রুসের মতো সাতবার চেষ্টা করে সফল না হলেও কেন অনেকেই হাল না ছেড়ে লেগে থাকেন বিসিএসের পিছনে? কী আছে বিসিএসে?
দেশে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি চাকরিতে যখন অনার্স পাসের রেজাল্ট ও সার্টিফিকেট ছাড়া আবেদন করা যায় না, তখন শুধু অনার্স, আবারও বলছি, শুধু অনার্স চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েই আপনি বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আবেদনের জন্য রেজাল্ট ও সার্টিফিকেটের কোন দরকার নাই। বুঝলেন কিছু?
অন্যান্য চাকরিতে যখন বিবিএ বা এমবিএ বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া আবেদন করা যায় না, সেখানে গাছ, লতা, পাতা বা অন্য যেকোন অদ্ভুত বিষয়েই পড়েন না কেন আপনি বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন। এমনকি পাস কোর্সে ডিগ্রী পাস করে মাস্টার্স করলেই আপনি বিসিএস পরীক্ষায় আবেদন করার যোগ্য। ঠান্ডা মাথায় ব্যাপারটা একবার ভাবুন।
বিবিএ বা এমবিএ বা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকলেও অন্যান্য চাকরিতে ভালো গ্রেড চাওয়ার কারণে যখন আবেদন করা যায় না, তখন এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স ও মাস্টার্স এই চারটা পরীক্ষার যেকোন দুটি বা তাঁর বেশি পরীক্ষার তৃতীয় শ্রেণি না থাকলেই আপনি বিসিএসে আবেদন করতে পারবেন। মাথা খারাপ করার মতোই কথা।
অনেক চাকরির সার্কুলারে অভিজ্ঞতা চাওয়ার কারণে যখন সার্কুলার ছুয়ে দেখতেই ভয় লাগে, আবেদন করা তো দূরের কথা, বিসিএস তখন ফ্রেস গ্রাজুয়েটদের আশার আলো। বিসিএস দিতে কোন চাকরির অভিজ্ঞতা থাকা লাগে না। অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়ে আবেদন করে ক্যাডার হয়ে প্রশাসন, পুলিশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ইত্যাদি ক্যাডারে সুনামের সাথে চাকরি করছেন অনেকেই।
দেশের অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার তুলনায় বিসিএসে দুর্নীতি নাই বললেই চলে বলে আমার ধারণা। পিএসসির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক স্যারের মতে, আপনি যোগ্য হলে কোনো রেফারেন্স ছাড়া বা তদবির ছাড়াই বিসিএসে সুযোগ পাবেন। যোগ্যতা ছাড়া এখানে আসার সুযোগ নেই। অনেকের মনে হতে পারে, কেউ হয়তো রেফারেন্স বা তদবিরের মাধ্যমে বিসিএসে আসতে পেরেছেন বা পারছেন। আসলে তা নয়। রেফারেন্স বা তদবিরের সুযোগ এখন নেই।
বিসিএসের চাকরিতে অন্যান্য চাকরির চেয়ে সামাজিক মর্যাদা বেশি। প্রশ্ন আসতে পারে, কেন বেশি? আপনি হয়তো জানেন সরকারী বিভিন্ন পদের মর্যাদা অনুসারে একটা তালিকা আছে সরকারের। যার নাম ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স। বিসিএসের চাকরি করলে আপনি একদিন না একদিন ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্সে স্থান পাবেনই।
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে একটা সময় আপনি সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যেতে পারবেন। লাল বা নীল পাসপোর্ট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। সেলফ ড্রইং অফিসার হিসেবে গণ্য হবেন। ভিজিটিং কার্ডে সরকারি মনোগ্রাম ব্যবহার করতে পারবেন।
অন্যান্য চাকরির চেয়ে বিসিএসের চাকরিতে স্কলারশিপ বেশি। আপনি স্কলারশিপ ও শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে যেতে পারবেন। সুতরাং চাকরিতে যোগ দেয়ার পরও পড়ালেখা বন্ধ হচ্ছে না। সুযোগ থাকছেই। চাকরিতে থেকেই আপনি আপনার মেধার সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে পারবেন।
দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষনের সুযোগ পাবেন। এতে নিজেকে দক্ষ করে দেশকে কিছু দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ এবং আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
বিসিএসের চাকরিতে প্রেষণ সুবিধা পাবেন। তাতে বৈধ উপায়ে ভালো আর্থিক সুবিধা পাবেন। প্রেষন কী জিনিস? সরকার তাঁর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চালানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এক অফিসের কাউকে অন্য আরেক অফিসে নিয়োগ দেয়। এটাই প্রেষণ। র্যাবে যারা কাজ করেন তাঁরা সবাই প্রেষণে কাজ করেন। এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মধ্যে পুলিশ ৪৪%, ডিফেন্স ৪৪%, আনসার ৫%, বিজিবি ৫%, কোস্ট গার্ড ১%, প্রশাসন ১%।
লিয়েন সুবিধাও পাবেন। লিয়েন কী জিনিস? লিয়েন এক ধরণের ছুটি। সরকারী কর্মকর্তারা এই ছুটি নিয়ে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্চ বেতনে চাকরি করে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন। লিয়েন শেষে তিনি আবার মূল চাকরিতে ফিরে এসে যথারীতি কাজ করবেন।
বিসিএসের চাকরির মাধ্যেমে সরাসরি দেশসেবায় অংশগ্রহণ করা যায়। পিএসসির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক স্যারের মতে, আপনি মেধাবী হলে, দেশের স্বার্থে সরাসরি কাজ করার ইচ্ছে আপনার থাকলে অব্যশই বিসিএস বেছে নিতে পারেন। এই চাকরিতে তরুণরা সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ করার সুযোগ পান।
জব সিকিউরিটির দিক থেকেও বিসিএস সবার শীর্ষে। কারণ বিসিএসের চাকরি গেজেটেড চাকরি। গেজেটেড আবার কী? রাষ্ট্রপতি কোন অফিসিয়াল পেপারে স্বাক্ষর করলেই তা গেজেটেড হয়ে যায়। আর বিসিএস কর্মকর্তাদের নিয়োগদাতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
পিএসসির বর্তমান চেয়ারম্যান স্যারের একটা কথা দিয়ে এই লেখার সমাপ্তি টানছি। বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ নেই। একটা সময় যারা আমাদের বটমলেস বাস্কেট বলেছে, তারাও এখন বলছে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোলমডেল। এখন যারা মনে করেন এই ট্রানজিশনাল সময় বা উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করা দরকার, যারা দেশের ঋণ শোধ করতে চান, তাদের প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত বিসিএস।
সৈকত তালুকদার
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত!

Total Pageviews