কে বাধ্য থাকবে আর কেন ? ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’

কে বাধ্য থাকবে আর কেন ? ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’

 প্রয়োজনের তাগিদেই লেনদেন করা জরুরি হয়ে পড়ে। টাকায় লেখা থাকা ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’ লেখাটি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন। 

 

তবে কখনো কী ভেবে দেখেছেন, ১ ২ ৫ টাকা বাদে বাকি সব টাকার নোটে কেন এই কথাটি লেখা থাকে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে আপনাকে অর্থনীতিবিদ হতে হবে না। তাই চিন্তা ছাড়ুন! আর জেনে নিন এই প্রশ্নের সহজ উত্তর।
দেরি না করে চলুন জেনে নেয়া যাক টাকার নোটে এই কথাটি লেখার আসল কারণ- আমরা জানি বাংলাদেশের মুদ্রা ছাপার একমাত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক। কথা হলো এই মুদ্রা আসলে কী? মুদ্রা বলতে কী বোঝায় সেই সম্পর্কে সবারই একটু ধারণা রাখা ভালো।

বাংলাদেশের সরকারি মুদ্রা হলো ৩টি। ১ ২ ও ৫ টাকার নোট কিংবা কয়েন হলো সরকারি মুদ্রা আর বাকিগুলো হলো সমপরিমাণ টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ছাপানো বিল অব এক্সচেঞ্জ। বাংলাদেশ ব্যাংক টাকার বিপরীতে নোট ছাপে।

তাই এটা বাংলাদেশের জনগণের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়। মনে করুন, আপনি কোনো কারণে ব্যাংক নোটের উপরে আস্থা রাখতে পারছেন না। তাই আপনি ১০০ টাকার একটি নোট বাংলাদেশ ব্যাংক কাউন্টারে জমা দিয়ে বিনিময় চাইলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক চাহিবামাত্র এর বাহককে অর্থাৎ আপনাকে সমপরিমাণ ১,৫ ও ২ টাকা প্রদান করে দায় থেকে মুক্ত হবে। এই হচ্ছে মূল বিষয়। চলুন বিষয়টি আরেকটু ব্যাখ্যা করা যাক। বাংলাদেশ ব্যাংক যখন কোনো নোট বাজারে ছাড়ে তখনই সমপরিমাণ ১,৫ও ২ টাকার নোট বা কয়েন সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের অ্যাকাউন্টে নিয়ে নেয়।
 Watch This Video 


আবার যখন ১,৫ ও ২ টাকা মার্কেটে ছাড়ে তখনই সমপরিমাণ নোট সরকারি অ্যাকাউন্টে জমা দেয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের নিকট থেকে টাকা নিয়ে টাকা ছাড়ে। সে হিসেবে মার্কেটে যত টাকার নোট আছে ঠিক সমপরিমাণ টাকা (১ ও ২) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত আছে।
সুতরাং সব নোট ব্যাংকে জমা করলেও ১ ও ২ টাকার কয়েন/ নোট দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১ ও ২ টাকা হলো টাকা, আর বাকিগুলো বিল অব এক্সচেঞ্জ। আর এজন্য ১ ও ২ টাকার নোটে লেখা থাকে না ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’। বাকি নোটগুলোয় ঠিকই লেখা থাকে।

পিঁপড়ার যতসব অজানা তথ্য ও শিক্ষণীয় বিষয় | Unknown facts of Ant

পিঁপড়ার যতসব অজানা তথ্য ও শিক্ষণীয় বিষয় | Unknown facts of Ant
 পিঁপড়া ক্ষুদ্র হলেও আমাদের কর্মী হওয়ার শিক্ষা দেয়। ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবার শিক্ষাও পাওয়া যায় পিঁপড়া থেকে। পবিত্র কোরআনে একটি সুরার নাম হচ্ছে নমল যার অর্থ পিঁপড়া। বাইবেলেও পরিশ্রমী হওয়ার জন্য পিঁপড়ার কাছে যেতে বলা হয়েছে! সত্যিই ছোট্ট একটি প্রাণীও যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা ভেবে অবাক হতে হয়।

বিশ্বে জানার কোনো শেষ নেই। পিঁপড়ার কান নেই। পিঁপড়ার হাঁটু এবং পায়ে আছে বিশেষ এক ধরণের সেনসিং ভাইব্রেসন যার মাধ্যমে আশেপাশের পরিস্থিতি পিঁপড়ারা বুঝতে পারে। পোকামাকড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মস্তিষ্কের অধিকারী পিপড়া।

Watch Video For More Info



বিশ্বে পিঁপড়ার প্রায় ১২ হাজার প্রজাতি রয়েছে। এই প্রাণীটি তার শরীরের ওজনের চেয়েও ২০ গুণ বেশি ওজন বহন করতে পারে! পিঁপড়াদেরও একজন রাণী থাকে যার থেকে লক্ষাধিক বাচ্চা হয়। পিঁপড়ার কান নেই। তাই মাটির কম্পন থেকেই শব্দের ব্যাপারটি বুঝে নেয়। পিঁপড়ার লড়াই শুরু হলে তা কতক্ষণ চলতে পারে ধারণা করুন তো?

জানলে সত্যিই অবাক হবেন। কারণ পিঁপড়ার লড়াই মৃত্যু পর্যন্ত চলতে থাকে! পিঁপড়া সর্বদা একই রেখায় চলতে থাকে। চলার পথে প্রতিটি পিঁপড়াই এক ধরণের তরল পদার্থ (ফেরোমন) নির্গত করে। ফলে পিছনে থাকা পিঁপড়াগুলো সামনের গুলোকে অনুসরণ করতে পারে। রাণী পিঁপড়ার পাখা গজায়।


পিঁপড়ার ফুসফুস নেই। শরীরে অনেক সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে শরীরের ভিতর ও বাইরে অক্সিজেন চলাচল করে! সাধারণত পিঁপড়ার জীবনকাল ২৮ বছর। তবে রাণী পিঁপড়া ৩০ বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত বাঁচতে পারে। যখন একটি পিঁপড়া মারা যায় তখন তার শরীর থেকে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়। ফলে অন্য পিঁপড়ারা সহজেই মৃত পিঁপড়া সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যায়।

আবার নির্গত এই রাসায়নিক পদার্থ যদি অন্য পিঁপড়ার শরীরের লাগে তবে সেই পিঁপড়াও মারা যেতে পারে! মানুষ ও পিঁপড়ার মাঝে একস্থানে মিল পাওয়া যায়! উভয়েই খাদ্য মজুত করে রাখে। পিঁপড়ার শরীরের গঠন এমন যে এটিকে উড়ন্ত উড়োজাহাজ থেকে ফেলে দিলেও সামান্যতম ব্যথা পাবে না। পিঁপড়া কখনই ঘুমায় না। এরা পানির তলদেশে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাঁচতে পারে। পিঁপড়ের পেট দুটো। একটিতে নিজের জন্য খাদ্য জমা রাখে, অন্যটিতে অন্যের জন্য!

জানি এই কথাটি সত্য হলেও বিশ্বাস করা কঠিন। কথাটি হচ্ছে বিশ্বে যত জনসংখ্যা রয়েছে তাদের ওজন আর সমস্ত পিঁপড়ার ওজন প্রায় সমান হবে! অধিকাংশ পিঁপড়া লাল ও কালো রংয়ের হয়ে থাকে। কিন্তু অনেক স্থানে সবুজ পিঁপড়ারও সন্ধান পাওয়া যায়।

ইচ্ছেমতো কেন টাকা ছাপানো যায় না, রহস্যটি জানেন কি ? | টাকা ছাপানোর নিয়ম

ইচ্ছেমতো কেন টাকা ছাপানো যায় না, রহস্যটি জানেন কি ? | টাকা ছাপানোর নিয়ম


টাকা! যা ছাড়া জীবন অচল। টাকার পিছনেই সারা দুনিয়ার মানুষের ছুটে চলা। অনেক হওয়ার পরও যা কম পড়ে যায়। আবার অনেকে দুঃখেরও অবসান হয়না এই টাকার জন্য।

প্রশ্ন হচ্ছে কেন টাকা এত কম ছাপানো হয়? বেশি ছাপালেইতো আর কোন কষ্ট থাকে না!
“লা কাসা দে পাপেল” নামে স্প্যানিশ একটা টিভি সিরিজ বেশ শোরগোল তুলেছিল। এতে দেখে যায়, একদল ডাকাত একটা ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে ঢুকে কিছু মানুষকে জিম্মি করে টাকা লুট করছে। তবে তাদের লুট করার পদ্ধতি একটু ভিন্ন। তারা ব্যাংকের টাকা লুট না করে, বরং ব্যাংকের টাকা প্রিন্ট করার মেশিন ব্যবহার করে তৈরি করে নিচ্ছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার।
এটা দেখার পর অনেকের এ প্রশ্ন মাথায় এসেছে যে, তাদের মত সরকার নিজেই যদি বিলিয়ন-বিলিয়ন টাকা প্রিন্ট করে আমাদের হাতে তুলে দেয়, তাহলেই তো সব আর্থিক সমস্যা মিটে যায়! কিংবা, সরকার যদি বস্তা বস্তা টাকা প্রিন্ট করে পদ্মা সেতু, মেঘনা সেতু, বুড়িগঙ্গা সেতু তৈরী করে, তাহলেই বা সমস্যা কোথায়?
অনেক সমস্যা! এত বড় সমস্যার এত সহজ সমাধান হলে তো আর কোন চিন্তাই থাকত না। চলুন জেনে নেয়া যাক সমস্যাটা কোথায়।
নির্দিষ্ট করে বললে টাকা প্রিন্ট করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তো, সে কীসের ভিত্তিতে টাকা তৈরী করে? সে কি মন চাইলেই যত ইচ্ছা টাকা প্রিন্ট করতে পারে?
টাকা উৎপাদন করার কোনো আবশ্যক নিয়ম নেই। যেকোনো দেশের সরকারের যত ইচ্ছে টাকা প্রিন্ট করার স্বাধীনতা রয়েছে। তবে কোনো দেশই যত ইচ্ছা টাকা প্রিন্ট করে না, টাকা প্রিন্ট করা হয় সেই দেশের অর্থনৈতিক প্রয়োজন অনুসারে তার সঙ্গে ভারসাম্য রেখে। টাকা উৎপাদনের পরিমাণের সঙ্গে জড়িত দেশের মানুষের উপার্জন, অর্থনৈতিক চাহিদা, দেশের সম্পদ ইত্যাদি। এর বেশি উৎপাদন করলেই শুরু হয় সমস্যা, দেশের অর্থনীতি ভারসাম্য হারাতে শুরু করে।

ধরুন, একটা দেশে সম্পদ বলতে রয়েছে দশটা আম। আর সেই দেশ বছরে ২০ টাকা প্রিন্ট করে। পরিবহন খরচ, খুচরা মূল্য পাইকারী মূল্য ইত্যাদি জটিলতা বাদ দিয়ে ধরেই নেই প্রতিটি আমের মূল্য ২ টাকা। তাহলে দেশের মোট সম্পদ আর মোট কারেন্সী ভারসাম্যপূর্ণ হল। পরের বছর ঐ দেশটি সর্বমোট ৪০ টাকা প্রিন্ট করল, কিন্তু মোট সম্পদ বলতে দশটি আমই রইল। যেহেতু দেশে নতুন কোনো সম্পদ নেই, ওই ১০টি আম কেনার জন্য বরাদ্দ হল ৪০টাকা, অর্থাৎ প্রতিটি আমের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেল। এভাবেই দেশের মোট সম্পদের তুলনায় অতিরিক্ত টাকা উৎপাদন করলে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়, টাকার দাম বা ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। একে বলে মূদ্রাস্ফীতি।
দ্রব্যমূল্য বেড়ে গেলে বেশি করে টাকা ছাপিয়ে আর লাভ কি হল? তাই একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রীতিমত গবেষণা করে চাহিদা নির্ধারণ করতে হয়, সেই অনুযায়ী টাকা প্রিন্ট করতে হয়। সাধারণত একটি দেশের জিডিপির ২-৩ শতাংশ টাকা প্রিন্ট করা হয়, তবে উন্নয়নশীল দেশে এই হার আরেকটু বেশি।
এই কারণেই আমরা ইচ্ছামত টাকা তৈরি করে রাতারাতি পদ্মা সেতু বানিয়ে ফেলতে পারি না। তাহলে সেই বাড়তি টাকা শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ার, ডিলার, সাপ্লায়ার এবং আরো অনেকের হাত ধরে প্রবেশ করবে মূলধারার অর্থনীতিতে এবং এর বারোটা বাজিয়ে দেবে।
মূদ্রাস্ফীতির কারণে বাড়তি অর্থ কাটাকাটি হয়ে যায় কেবল তা-ই না, এর ফলে দেশের অর্থনীতির ভারসাম্য ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কীভাবে হয় সেটা জানেন কি?
সঞ্চয়ের মূল্য কমে যাবে। আজকে ১০ টাকা দিয়ে চিপস না কিনে সেটা ব্যাংকে রাখলাম। এখন যদি দুইদিন পরে দেখি একটা চিপসের দাম ২০ টাকা, তাহলে তো সঞ্চয় ব্যাপারটা নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারা হল!
আমরা অনেকেই বন্ড কিনেছি বা কাউকে বন্ড কিনতে দেখেছি। এই বন্ডের মাধ্যমে আসলে সরকার আমাদের কাছে অর্থ ধার করে। আজকে পঞ্চাশ টাকার বন্ড বিক্রি করে সেই অর্থ কাজে লাগিয়ে এক বছর পরে সরকার পঞ্চাশ টাকা ফেরত দিচ্ছে, ব্যাপারটা এরকম। এখন, সরকারের কাছ থেকে পঞ্চাশ টাকার বন্ড কিনলেন, এক বছর পর সেই টাকা আদায় করার পর যদি দেখেন মুদ্রাস্ফীতির কারণে পঞ্চাশ টাকায় আগের চাইতে কম পরিমাণ চাল কিনতে পারছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই বন্ড কেনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন। আবার বন্ড বিক্রি না করতে পারলে সরকারও প্রয়োজনীয় অর্থ থেকে বঞ্চিত হবে। টাকার ক্রয়ক্ষমতার অনিশ্চয়তার কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। ব্যাবসাখাতে অস্থিরতার সৃষ্টি হবে।
যে দেশে মুদ্রাস্ফীতি হবে, সে দেশের মুদ্রার দাম অন্যদেশের মুদ্রার তুলনায় কমে যাবে। ধরুন, জার্মানীতে মুদ্রাস্ফীতির হার দিনে ২০%, আর ভারতে ০%। অর্থাৎ ১০০ টাকার একটি দ্রব্যের মূল্য কাল জার্মানীতে হবে ১২০ টাকা, ভারতে ১০০ টাকাই থাকবে। সেক্ষেত্রে ভারতের এক রুপির মূল্য হবে জার্মানীর ১.২০ মার্কের (জার্মানীর মুদ্রা) সমান।
জিম্বাবুয়ের অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতির কথা আমরা জানি। সেখানে এক প্যাকেট পাউরুটি কেনার জন্য এক বস্তা টাকা নিয়ে দোকানে যেতে হত, এমন কথা প্রচলিত আছে। কথাটা খুব একটা ভুলও নয়, বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন জিম্বাবুইয়ান ডলার সেখানে ডালভাত।

এই অস্বাভাবিকতা শুরু মূলত ২০০৮ সাল থেকে। ষাটের দশক থেকেই জিম্বাবুয়ের অর্থনীতির নাজেহাল অবস্থা। একুশ শতকে এসে তা একেবারে চরম আকার ধারণ করে। অর্থনীতি সামাল দিতে মুগাবে সরকার প্রচুর পরিমাণে টাকা প্রিন্ট করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত উলটো ধ্বংসের পথে নিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের অর্থনীতিকে। প্রচুর পরিমাণে টাকা ছাপা হওয়ায় হু-হু করে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকে। বর্তমানে জিম্বাবুয়ের মুদ্রাস্ফীতির হার দৈনিক ৯৮%, অর্থাৎ আজকে যার মূল্য ১০০ টাকা, আগামীকাল তা ১৯৮ টাকা দিয়ে কিনতে হবে! চিন্তা করা যায়! তবে মুদ্রাস্ফীতির সর্বোচ্চ হার কিন্তু এটা নয়। এই অপ্রীতিকর রেকর্ড হাঙ্গেরীর, ১৯৪৬ সালে সে দেশে মুদ্রাস্ফীতির হার দৈনিক ১৯৫% পর্যন্ত উঠেছিল।
অতিরিক্ত ছাপা হওয়া টাকা দিয়ে যে দেশের ঋণই শোধ করেন, যে দেশেই তা খরচ করেন, তা ঘুরেফিরে আবার নিজের দেশেই ফেরত আসবে। কারণ আমাদের দেশের মুদ্রা তো শেষতক আমার দেশের মানুষকেই গ্রহণ করতে হচ্ছে, অন্যান্য দেশে তো এই মুদ্রা দিয়ে কেনাকাটা করতে পারছেন না! সুতরাং বাড়তি টাকাটা ঘুরেফিরে আমাদের দেশের অর্থনীতিতেই প্রবেশ করছে। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হল এই টাকা কিন্তু সরাসরি বৈদেশিক ঋণ শোধ করায় ব্যবহার করতে পারছি না, কারণ ঋণের চুক্তিতে একটি নির্দিষ্ট কারেন্সীতে তা শোধ করার ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা থাকে।
একটা দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন করতে বেশি করে টাকা তৈরি করা কোন সমাধান নয়, সমাধান হল উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এর ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। উল্টোভাবে উন্নয়ন করতে গেলে উন্নয়নও উল্টোভাবেই হবে!

সঞ্চয়পত্রের বিকল্প নগদ মোবাইল বাংকে । যেকোন বাংকের বেশি লাভ নগদে

সঞ্চয়পত্রের বিকল্প নগদ মোবাইল বাংকে ।  যেকোন বাংকের বেশি লাভ নগদে

“সঞ্চয়” বিস্তারিত


গ্রাহকগণ তাদের নগদ অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণের উপর সর্বোচ্চ মুনাফা লাভ করবেন

শর্তাবলি:
নগদ-এর সকল নিয়মিত গ্রাহক নিচের ছকে উল্লিখিত হারে মুনাফা পাবেন-
মুনাফার স্ল্যাব বার্ষিক মুনাফা হার
৫০০১ টাকা থেকে ৫০০,০০০ টাকা ৭.৫%
১০০১ টাকা থেকে ৫০০০.৯৯ টাকা ৫.০%
০ টাকা থেকে ১০০০.৯৯ টাকা ০.০%
  • মাসিক ভিত্তিতে মুনাফা প্রদান করা হবে।
  • প্রতিদিনের মুনাফার হার হিসাব করে মাস শেষে মুনাফা প্রদান করা হবে
  • দেশের আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য ট্যাক্স বা ভ্যাট কর্তনের পর সরাসরি নগদ অ্যাকাউন্টে মুনাফার অংশ পাঠিয়ে দেয়া হবে
  • গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট স্ট্যাটাস জনিত কোনো সমস্যার কারণে মুনাফা বিতরণ করা না গেলে, সে মাসে উক্ত গ্রাহক কোনো মুনাফা পাবেন না
  • মুনাফা লাভের জন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট অবশ্যই চালু থাকতে হবে
  • ‘নগদ’ কোনোরকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই, যেকোনো সময় ক্যাম্পেইনের যেকোনো শর্তাবলি পরিবর্তন বা পরিবর্ধন এমনকি ক্যাম্পেইন বাতিল করারও অধিকার সংরক্ষণ করে।
  • প্রযোজ্য আইন, রেগুলেটরি নির্দেশিকা কিংবা নিজস্ব নীতির উপর ভিত্তি করে, ‘নগদ’ মুনাফা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে
মুনাফা সেবা বাতিলের পদ্ধতি 
  • নগদ কল সেন্টার নম্বর (১৬১৬৭)-এ কল করে, ‘সার্ভিস রিকোয়েস্ট’-এর মাধ্যমে গ্রাহক তার মুনাফা সেবা গ্রহণ বা বাতিল করতে পারেন
  • গ্রাহকের অনুরোধ সফলভাবে গৃহীত হলে সে ব্যাপারে তাকে অবগত করা হবে

Tags:  নগদ,নগদ মোবাইল ব্যাংকিং চাকরি,নগদ mobile banking,নগদ মোবাইল রিচার্জ,নগদ থেকে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার নিয়ম,Nagad Interest Rate,নগত,নগদ নাকি বিকাশ,Nagad service charge

বিকাশে এক লাখ টাকায় ৪০০০ হাজার টাকা লাভ । মুনাফা আসা বন্ধ করার উপায়ও জেনে নিন

জমানো টাকার উপর ইন্টারেস্ট 


টাকা নিরাপদে রাখার পাশাপাশি, আপনি বিকাশ একাউন্টে টাকা জমিয়ে বছরে ৪% পর্যন্ত ইন্টারেস্ট পেতে পারেন।
ইন্টারেস্ট শুধুমাত্র বিকাশ কাস্টমারের জন্য প্রযোজ্য।
ইন্টারেস্ট রেটঃ
ব্যালেন্স/স্ল্যাব (টাকা)
বাৎসরিক হার
১,০০০ – ৫,০০০.৯৯
১.৫%
৫,০০১ –১৫,০০০.৯৯
২%
১৫,০০১ – ৫০,০০০.৯৯
৩%
৫০,০০১ এবং এর অধিক
৪%
উদাহরণস্বরুপ, আপনার বিকাশ  একাউন্টে যদি একটি মাসজুড়ে কমপক্ষে ১,০০০ টাকা থাকে, ঐ মাসে ২ টি লেনদেন করেন এবং ঐ মাসের গড় ব্যালেন্স যদি ১,০০০ থেকে ৫,০০০.৯৯ টাকার মধ্যে থাকে তাহলে আপনি  ঐ মাসের গড় ব্যালেন্সের উপর ১.৫% বাৎসরিক হারে ইন্টারেস্ট পাবেন।
ইন্টারেস্ট পাবার শর্তসমূহঃ
  • আপনার KYC ফরম বিকাশ কর্তৃক গৃহীত হতে হবে এবং আপনার একাউন্টটি একটিভ থাকতে হবে
  • মাসে কমপক্ষে আপনাকে ২ টি আর্থিক লেনদেন (“ক্যাশইন”, “ক্যাশআউট”, “ATM ক্যাশআউট”, “পেমেন্ট”, “ সেন্ডমানি” অথবা “ ​মোবাইল রিচার্জ ​”) করতে হবে
  • মাসজূড়ে  প্রতি দিনশেষে আপনার একাউন্টে কমপক্ষে ১,০০০ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে
  • মাসশেষে প্রতিদিনের গড় ব্যাল্যান্সের উপর আপনার প্রাপ্ত ইন্টারেস্টের পরিমান হিসাব করা হবে
  • সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট এবং ট্যাক্স কর্তন সাপেক্ষ্যে বছরে দুই দফায়  আপনার একাউন্টে ইন্টারেস্ট প্রদান করা হবে
ইন্টারেস্ট সেবা চালু করাঃ
উপরোক্ত শর্ত পালনের মাধ্যমে সকল নতুন এবং পুরাতন বিকাশ কাস্টমারগণ তাদের বিকাশ একাউন্টে ইন্টারেস্ট পাবেন। সেবাটি চালু করার জন্যে কিছুই করতে হবেনা।
ইন্টারেস্ট গ্রহণ বন্ধ করাঃ
আপনার একাউন্টে ইন্টারেস্ট গ্রহণ করতে না চাইলে নীচের ধাপগুলো অনুসরণ করুনঃ
  • আপনার বিকাশ একাউন্ট নম্বর থেকে 16247 এ কল করুন
  • ভাষা নির্বাচন করুন (বাংলার জন্যে ১ এবং ইংরেজির জন্যে ২ )
  • জমানো টাকার উপর ইন্টারেস্ট এবং অন্যান্য তথ্যের জন্য ৫ চাপুন
  • ইন্টারেস্ট সংক্রান্ত তথ্যের জন্যে ১ চাপুন
  • ইন্টারেস্ট গ্রহণ বন্ধ করতে ১ চাপুন  (সেবাটি পূর্বে বন্ধ করা থাকলে  পুনরায় চালু করতে চাইলে ২ চাপুন)
  • আপনার অনুরোধটি গৃহীত হলে আপনাকে মেসেজ এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে
  •  

ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে আবার নতুন নিয়ম (মে ২০২০) !! এককনামে ১০ লাখ ও যুগ্ম ২০ লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না

ডাকঘর সঞ্চয়পত্রে আবার নতুন নিয়ম (মে ২০২০) !! এককনামে ১০ লাখ ও যুগ্ম ২০ লাখ টাকার বেশি রাখা যাবে না

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের আওতায় সাধারণ ও মেয়াদী আমানতের সীমা এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে এনেছে সরকার। আগে এই স্কিমে একক ও যৌথ নামে যথাক্রমে ৩০ লাখ ও ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগের সুযোগ ছিল। 

সরকারের নতুন আদেশে তা নেমে এসেছে যথাক্রমে ১০ লাখ ও ২০ লাখ টাকায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) সম্প্রতি জারি হওয়া এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে। এটি কার্যকর হবে গত ১৮ মে থেকে। এর ফলে এ খাতে ঢালাও বিনিয়োগের সুযোগ কমে এলো।

অন্যদিকে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ এড়িয়ে এ খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে যারা সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতেন, তারা বিপাকে পড়বেন।

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম বেঁধে দেওয়া থাকলেও ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের আওতায় টাকা জমা রাখায় কোনও শর্ত ছিল না। ফলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের টাকা রাখার সুযোগ ছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরেই এই সুযোগের অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। বলা হচ্ছে, যাদের উদ্দেশ্যে সরকার এ সুযোগটি দিয়েছে, তাদের বাইরে বড় অংশই এখানে টাকা রাখছেন। এছাড়া অনেকে অবৈধ ও কালো টাকা বৈধ করার জন্যও এ মাধ্যমটি ব্যবহার করতে থাকে।
ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার প্রায় অর্ধেক কমিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। তবে সমালোচনার মুখে আগের হার ঠিক রেখে মার্চের মাঝামাঝিতে নতুন আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর পরই বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করে নতুন এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।


Tags: সঞ্চয়পত্র,সঞ্চয়পত্র আয়কর,সঞ্চয়পত্র প্রজ্ঞাপন,পেনশনার সঞ্চয়পত্র,সঞ্চয়পত্র টিআইএন,বাংলাদেশ ব্যাংক সঞ্চয়পত্রের নতুন নিয়ম,সঞ্চয়পত্র কি হালাল নাকি হারাম,অবসর সঞ্চয়পত্র,সঞ্চয়পত্র ইএফটি

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড- বাংলাদেশের সবচেয়ে গভীরতম স্থান | Swatch of No Ground HD Photos

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড - বাংলাদেশের সবচেয়ে গভীরতম স্থান | Swatch of No Ground HD Photos

বাংলাদেশের দক্ষিণে যেখানে সুন্দরবন শেষ,সেখান থেকেই শুরু সমুদ্র যাত্রা। এ যাত্রায় আরো ১৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলেই দেখা মিলে নীল জলরাশির বিস্তীর্ণ রাজ্য- যার নাম সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। এর অর্থ যার কোনো তল নেই। বঙ্গোপসাগরের ১৭৩৮০০ হেক্টর এলাকা নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত এলাকা এই ‘সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড’।

অনেকেরই হয়তো জানা নেই বঙ্গোপসাগরের এই অঞ্চলটি পৃথিবীর ১১তম গভীর সমুদ্রখাদ। যা সৃষ্টি হয়েছিল এক লাখ ২৫ হাজার বছর আগে। সুন্দরবনের দুবলার চরের দক্ষিণাঞ্চলে ক্রমশ এগিয়ে গেলে ১ হাজার ৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকার দীর্ঘ উপত্যকাটি। তিমি, ডলফিন, হাঙ্গর ও কচ্ছপের প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র।

বঙ্গোপসাগরের গভীরে অবস্থিত জায়গাটির সংক্ষিপ্ত  ইংরেজি ‘SONG’। যাকে বৃহৎ করলে দাঁড়ায় ‘Swatch of No Ground’ অর্থাৎ ‘যার কোন তল নেই’।  সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড হচ্ছে ১৪ কিলোমিটারব্যাপী বঙ্গোপসাগরের তলায় একটি গভীর উপত্যকা বা মেরিন ভ্যালি। একে আন্ডার ওয়াটার ক্যানিয়নও বলা হয়।

প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বর্গ কিলোমিটার এরিয়াজুড়ে এটি বিস্তৃত। বিস্ময়কর হলেও সত্য যে এটি বিশ্বের সেরা ১১টি গভীর খাদ বা ক্যানিয়ন এর মাঝে অন্যতম। অনেকে এটিকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গভীর খাদও বলে থাকেন। ধারণা করা হয়, আজ থেকে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার বছর আগে এই গিরিখাতের সৃষ্টি। বিজ্ঞানীদের মতে, এটি একটি সামুদ্রিক অভয়ারণ্য। বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮০০ হেক্টর এলাকা নিয়ে এই স্থানটিকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে।

যেভাবে যাবেন :
সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড মংলা/ সুন্দরবন এর দুবলার চর/সোনারচর থেকে প্রায় ৩০-৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকা থেকে সরাসরি মংলা। মংলা থেকে প্রতিদিনই মাছ ধরার ট্রলার যায় সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে। জেলেদের সাথে কথা বলে উঠে পড়বেন যেকোন একটি ট্রলারে। রাতে মাছ ধরার জন্য ট্রলারগুলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে। বিস্তারিত জেনেই ট্রলারে চড়বেন। এছাড়া মংলা বন্দরে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবেন, যদি জাহাজে করে যাবার কোন সৌভাগ্য এবং সুযোগ মিলে কিনা।

 Swatch of No Ground HD Photos










 

ময়মনসিংহ শহরের গাঙ্গিনাপাড় পতিতালয় লাইভ গোপন ভিডিও | Mymensingh Potitaloy Brothels HD Photos Video

ময়মনসিংহ শহরের গাঙ্গিনাপাড় পতিতালয় লাইভ গোপন ভিডিও | Mymensingh Potitaloy Brothels HD Photos Video


গাঙ্গিনাপাড় পতিতালয় : ময়মনসিংহ রেলস্টেশন থেকে মাত্র ২ পা দূরে। উপরে বিশাল সাইনবোর্ড এ লেখা আসুন, এইডস থেকে বাঁচুন। নাজমা বোর্ডিং নামে একটা পতিতালয়। সরকার অনুমোদিত পতিতালয়গুলোর একটি গাঙ্গিনাপাড়। এখানে আনুমানিক ২০-২৫ জন সর্দারনীর অধীনে ৪০০ থেক ৫০০ জন পতিতাবৃত্তির কাজে নিয়োজিত রয়েছে।
ময়মনসিংহ শহরের পতিতালয়ে পতিতাবৃত্তিতে শিশুরা নিয়োজিত রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপরদিকে খদ্দের হয়ে পতিতালয়ে প্রবেশ করে হারাচ্ছে উজ্জ্বল ভবিষৎ শিশুরা।

 Mymensingh Potitaloy Brothels HD Photos 

 













যোগাযোগ ব্যবস্থা




ময়মনসিংহের যোগাযোগ ব্যবস্থার মধ্যে রেলপথ ও সড়ক পথই প্রধান। জেলার অভ্যন্তরে যাতায়াতের  জন্য নৌপথেও সামান্য কিছু যোগাযোগ ব্যবস্থার আয়োজন আছে, তবে সে সব যোগাযোগ শুধুমাত্র  বর্ষাকালেই কার্যকর থাকে, বছরের অন্য সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণই সড়ক ও রেলপথ নির্ভর হয়ে  পড়ে। নদীগুলোর নাব্যতা হ্রাসের কারণে বর্তমানে নৌপথের ব্যবহার হতাশাব্যঞ্জকভাবে কমে গেছে। তবে বর্ষায় এখনো ধান-পাট নৌপথে পরিবহন করা হয়ে থাকে। ময়মনসিংহের কাচারী খেয়া ঘাট, থানার ঘাট  থেকে নৌপথে বাইগনবাড়ি, বিদ্যাগঞ্জ, বালির বাজার, বালিপাড়ায় প্রভৃতি স্থানে যাতায়fত করা যায়।  রেলপথ ও সড়ক পথের বর্ণনা নিচে দেয়া হলোঃ

রেলপথ
ময়মনসিংহের সাথে বিভিন্ন রুটের রেল চলাচলের কার্যক্রম চালু আছে দীর্ঘদিন। দেশের যে সব স্থানে  রেলপথে যাতায়fত করা যায় সে গুলো হলোঃ

▫ ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁও-টঙ্গী হয়ে কমলাপুর-ঢাকা।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-ভৈরব হয়ে চট্টগ্রাম।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-ভৈরব-আখাউড়া হয়ে সিলেট যেতে ভৈরব অথবা আখাউড়াতে ট্রেন বদল  করতে হয়।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ-নেত্রকোনা হয়ে মোহনগঞ্জ।
▫ ময়মনসিংহ থেকে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ হয়ে জারিয়া ঝাঞ্জাইল।
▫ ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর হয়ে দেওয়ানগঞ্জ হয়ে বাহাদুরাবাদ ঘাট।
▫ ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর হয়ে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত।
রেলপথে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১১:৪৫ টা পর্যন্ত মোট ৫টি মেইল ট্রেন  ময়মনসিংহ আসে। সাতটি ট্রেনের মধ্যে ৬টি আন্তঃনগর এক্সপ্রেস, অন্যগুলো লোকাল। এ ট্রেনগুলো  ঢাকা থেকে টঙ্গী-গফরগাঁও হয়ে ময়মনসিংহ আসে। ৬টির মধ্যে ২টি তারাকান্দি এবং ২টি নেত্রকোনা- মোহনগঞ্জ যায়। আর ২টি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ বাজারের উদ্দেশ্যে চলে। এছাড়া  প্রতিদিন ঢাকা থেকে লোকাল ট্রেন ময়মনসিংহে আসে। ৫টি ট্রেন আপডাউন হিসাবে যাতায়াত করে।  নিচে ময়মনসিংহের রেলপথের সময়সূচী উপস্থাপন করা হলো:
ওয়ার্কিং টাইম টেবিল নং-৪৫ (কার্যকরঃ ২০১৯ এর সময়সূচি অনুযায়ী)
ট্রেন নং
প্রারম্ভিক
ষ্টেশন
ছাড়ার
সময়
ময়মনসিংহ
পৌছে- ছাড়ে
গন্তব্য ষ্টেশন
পৌছে
বন্ধের
দিন
৫৫ আপ
ঢাকা
২৩.৩০
৩.২০-৩.২৫
বাহাদুরাবাদ
৮.০০
নাই
৫৬ ডাউন
বাহাদুরাবাদ
০০.২০
৪.২৫-৪.৪০
ঢাকা
১১.২০
নাই
৩৭ আপ
চট্টগ্রাম
১৫.১০
৩.৪৫-৪.০০
জগন্নাথগঞ্জ
৮.৩৫
নাই
৩৮ ডাউন
জগন্নাথগঞ্জ
০২.০০
৬.২৫-৬.৫০
চট্টগ্রাম
২১.০৫
নাই
৪৩ আপ
ঢাকা
০২.০০
৫.০০-৬.০০
মোহনগঞ্জ
১০.০০
নাই
৪৪ ডাউন
মোহনগঞ্জ
১৭.১৫
২২.১৫-২২.২৫
ঢাকা
০৩.৪৫
নাই
৭০৭ আপ
ঢাকা
০৭.২০
১০.১০-১০.১৫
বাহাদুরাবাদ
১৩.০৫
সোমবার
৭০৮ ডাউন
বাহাদুরাবাদ
১৪.১০
১৭.০০-১৭.০৫
ঢাকা
২০.০০
সোমবার
২৫১ আপ
ময়মনসিংহ
৬.৩০
৬.৩০
বাহাদুরাবাদ
১০.১৫
নাই
২৫২ ডাউন
বাহাদুরাবাদ
১৬.১০

ময়মনসিংহ
২০.৫৫
নাই
৪৯ আপ
ঢাকা
১০.৩০
১৪.২০



৫০ ডাউন
ময়মনসিংহ
১৪.৫০

ঢাকা
১৯.০০
নাই
২৫৩ আপ
ময়মনসিংহ
১৭.১৫

জগন্নাথগঞ্জ
২২.০০
নাই
২৫৪ ডাউন
জগন্নাথগঞ্জ
০৯.৩০

ময়মনসিংহ
১৫.১০
নাই
৫১ আপ
ঢাকা
১৫.৫০
১৯.১৫-১৯.২০
দেওয়ানগঞ্জ
২২.০০
নাই
৫২ ডাউন
দেওয়ানগঞ্জ
৪.৩০
৭.০৫-৭-১০
ঢাকা
১০.২৫
নাই
৭৪৫ আপ
ঢাকা
১৬.৪০
২০.১০-২০.২০
তারাকান্দি
২৩.০০
নাই
৭৪৬ ডাউন
তারাকান্দি
০২.৩০
০৪.৫৮-০৫.০৩
ঢাকা
৮.১০
নাই
৭৪৩ আপ
ঢাকা
১৮.০০
২১.০৭-২১-১৭
বাহাদুরাবাদ
০০.১০
নাই
৭৪৪ ডাউন
বাহাদুরাবাদ
০২.২০
০৫.২০-০৫.২৫
ঢাকা
৮.৩০
নাই
২১১ আপ
ময়মনসিংহ
১৫.০০

দেওয়ানগঞ্জ
১৫.০০
নাই
২১২ ডাউন
দেওয়ানগঞ্জ
০৭.১৫

ময়মনসিংহ
১১.৩০
নাই
৭৩৫ আপ
ঢাকা
০৯.৩০
১২.২৫-১২.৩০
তারাকান্দি
১৫.০৫
নাই
৭৩৬ ডাউন
তারাকান্দি
১৬.৫০
১৮.২৭-১৮.৩২
ঢাকা
২১.৫৫
নাই
৩৯ আপ
ভৈরব
১৬.৩০

ময়মনসিংহ
২১.১৫
নাই
৪০ ডাউন
ময়মনসিংহ
০৬.৩৫

ঢাকা
১৬.১০
নাই
২৪১ আপ
ভৈরব
০৫.২৫

ময়মনসিংহ
১০.০০
নাই
২৪২ ডাউন
ময়মনসিংহ
১০.১০

ভৈরব
১৫.০০
নাই
২৪৩ আপ
ভৈরব
১৫.২৫

ময়মনসিংহ
২০.৩০
নাই
২৪৪ ডাউন
ময়মনসিংহ
১৬.৩০

ভৈরব
২২.২০
নাই
২৬১ আপ
মোহনগঞ্জ
৯.২০

ময়মনসিংহ
১৩.৪৫
নাই
২৬২ ডাউন
ময়মনসিংহ
০৫.০০

মোহনগঞ্জ
০৯.০০
নাই
২৭১ আপ
জারিয়া
০৯.০৫

ময়মনসিংহ
১২.০০
নাই
২৭২ ডাউন
ময়মনসিংহ
০৬.০০

জারিয়া
০৮.৪৫
নাই
২৬৩ আপ
মোহনগঞ্জ
২১.৪০

ময়মনসিংহ
০২.০৫
নাই
২৭৪ ডাউন
ময়মনসিংহ
১২.২০

জারিয়া
১৫.১০
নাই
২৭৩ আপ
জারিয়া
১৫.৩০

ময়মনসিংহ
১৮.২৫
নাই
২৬৪ ডাউন
ময়মনসিংহ
১৭.০০

মোহনগঞ্জ
২১.২০
নাই
৪৭ আপ
ঢাকা
০৫.৪০
৯.১৫-৯.২০
দেওয়ানগঞ্জ
১২.০০
নাই
৪৮ ডাউন
দেওয়ানগঞ্জ
১৩.০০
১৫.৪৫-১৫.৫০
ঢাকা
১৯.২০
নাই
২৭৬ ডাউন
ময়মনসিংহ
১৮.৫০

জারিয়া
২১.৫৫
নাই
২৭৫ আপ
জারিয়া
২২.১৫

ময়মনসিংহ
০১.৩০
নাই
*** ট্রেনের সময়সূচি**
*** ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের সময়সূচি (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী): 
    ০১. যমুনা এক্সপ্রেস, ০৪:৩৫ টায়। 
    ০২. ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ০৫:৩০ টায়। 
    ০৩. জামালপুর কম্পিউটার, ০৭:৩৩ টায়। 
    ০৪. ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (আন্তঃনগর), ০৯:১০ টায়। 
    ০৫. ডেমু কম্পিউটার (জয়দেবপুর পর্যন্ত), ০৯:২৫ টায়। 
    ০৬. হাওর এক্সপ্রেস (আন্তনগর), ১১:০০ টায়। 
    ০৭. বলাকা কম্পিউটার, ১৩:৪৫ টায়
    ০৮. দেওয়ানগঞ্জ কম্পিউটার, ১৫:৩৩ টায়। 
    ০৯. তিস্তা এক্সপ্রেস (আন্তনগর), ১৭:১০ টায়। 
    ১০. মহুয়া কম্পিউটার, ১৭:২২ টায় এবং অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (আন্তনগর), ১৯:১৫ টায়। 
    ১১. মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস(আন্তনগর), ০৩:০২ টায়। 
*** কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহ ট্রেনের সময়সূচি(আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী):
    ০১. বলাকা কমিউটার, ০৪:৪০ টায়। 
    ০২. দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার, ০৫:৩৫ টায়। 
    ০৩. তিস্তা এক্সপ্রেস, ০৭:২০ টায়। 
    ০৪. মহুয়া কমিউটার, ০৮:১৫ টায়। 
    ০৫. অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, ০৯:৪৫ টায়। 
    ০৬. মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, ১৪:১৫ টায়। 
     ০৭. জামালপুর কমিউটার, ১৫:৩০ টায়। 
     ০৮. যমুনা কম্পিউটার, ১৬:৪০ টায়। 
    ০৯. ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস, ১৮:০০ টায়। 
    ১০. ভাওয়াল এক্সপ্রেস, ২১:২০ টায়। 
    ১১. হাওড় এক্সপ্রেস, ২৩:৪৫ টায়। 
*** ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনা (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী):
    ০১. ৭৭৭ হাওড় এক্সপ্রেস, ০৩:২০ টায়। 
    ০২. ২৬২ লোকাল ট্রেন, ০৬:০০ টায়। 
    ০৩. মহুয়া কমিউটার, ০০:৩২ টায়। 
    ০৪. ২৬৪ লোকাল ট্রেন, ১৪:৩০ টায়। 
    ০৫. ৭৮৯ মোহনগঞ্জ এক্সপ্র্রেস, ১৭:২৫ টায়। 
*** নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহ (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী):
    ০১. হাওড় এক্সপ্রেস, ০৯:২৩ টায়। 
    ০২. মহুয়া কমিউটার, ১৬:০৭ টায়। 
    ০৩. মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস, ০:৩৫ টায়। 
*** কিশোরগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী):
০১. মেইল, ০১:১০ টায়।
০২. লোকাল, ০৮:৩৫ টায়। 
০৩. বিজয়, ১৩:২৩ টায়। 
০৪. লোকাল, ১৬:৩০ টায়। 
০৫. ঈশা খা, ১৮:০২ টায়। 
*** ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী):
০১. ৩৮ ডাউন, ০৬:৪৫ টায়। 
০২. ২৪২ ডাউন, ০৮:০০ টায়। 
০৩. ঈশা খা এক্সপ্রেস, ১২:০০ টায়।  
০৪. ২৪৪ ডাউন, ১৭:৫০ টায়। 
০৫. বিজয় এক্মপ্রেস(আন্তনগর), ২০:০০ টায়। 
*** ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রাম (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী): মঙ্গলবার ব্যতীত
০১. বিজয় এক্মপ্রেস, ২০:০০ টায়। 
*** চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহ (আন্তর্জাতিক সময়সূচি অনুযায়ী): বুধবার ব্যতীত
০১. বিজয় এক্মপ্রেস, ১৯:২০ টায়। 
*** ময়মনসিংহে ৬টি আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেন রয়েছে। ৬টি আন্তনগর ট্রেনের মধ্যে ২টি ট্রেন চলে ঢাকা থেকে গফরগাঁও ও ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুরের তারাকান্দি পর্যন্ত। যেমন- যমুনা ও অন্গিবীণা এক্সপ্রেস। 
*** ঢাকা থেকে গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা হয়ে মোহনগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে ২টি আন্তঃনগর ট্রেন। যেমন- হাওড় ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস। 
*** ঢাকা থেকে গফরগাঁও, ময়মনসিংহ হয়ে জামারপুর, দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত চলে ২টি আন্তঃনগর ট্রেন। যেমন- তিস্তা ব্রহ্মপুত্র। 
*** মেইল ট্রেন: ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে মেইল ট্রেন হলো ৫টি। 
*** ডেমু ট্রেন: ডেমু কমিউটার ট্রেন চলে জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ এবং ময়মনসিংহ থেকে জয়দেবপুর। 
*** বিজয় এক্সপ্রেস: ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রাম রুটে এই ট্রেনটি চলে। 

সড়ক পথ
ময়মনসিংহ সড়ক বিভাগের আওতাধীন মোট সড়ক পথের দৈর্ঘ্য ৫৪৪ কিলোমিটার। সড়ক পথে ময়মনসিংহ সদর থেকে দেশের সকল জেলায় যাতায়তের সুব্যবস্থা আছে। ময়মনসিংহ শহর থেকে রাজধানী ঢাকার দুরত্ব ১২১ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে সড়ক পথে ময়মনসিংহে আসতে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার মেইল ও লোকাল গাড়িতে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহে পৌঁছা যায়। মহাখালী ছাড়াও কমলাপুর, বিআরটিসি টার্মিনাল থেকে ঢাকা-নেত্রকোনা রুটের গাড়িতেও ময়মনসিংহে আসা যেতে পারে। ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহী-খুলনা-পঞ্চঘর-বগুড়া-রংপুর-সিলেট-জামালপুর-শেরপুর-নেত্রকোনা-কিশোরগঞ্জ-হালুয়াঘাট-গফরগাঁও-ধোবাউড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক পথে যাবার ব্যবস্থা আছে। ময়মনসিংহ জেলা মটর মালিক সমিতির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত বিভিন্ন রুটের সময়সূচী ও চলাচল উপস্থাপন করা হলোঃ

ময়মনসিংহ জেলা হতে বিভিন্ন রুটে যানবাহন চলাচলের তথ্যাদি
পরিবহন/ সার্ভিসের নাম
রুটের নাম
যাত্রার
স্থান
চলাচলের সময়
ভাড়া
(টাকা)
মন্তব্য
শুরু
শেষ
নিরাপদ ট্রাভেলস্
ঢাকা
মাসকান্দা
সকাল ৬টা
রাত ৮টা
১১০.০০
২০
মিনিটপরপর 
সৌখিন সার্ভিস
ঢাকা
মাসকান্দা
সকাল ৬টা
রাত ৮টা
১১০.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
ঢাকা
মাসকান্দা
সকাল ৬টা
রাত ৮টা
১০০.০০
২০ মিনিটপরপর
ঈশাখা গেইটলক সার্ভিস
কিশোরগঞ্জ
পাটগুদাম
সকাল ৮টা
সন্ধা ৬টা
৬৬.০০
৩০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
কিশোরগঞ্জ
পাটগুদাম
সকাল ৬টা
রাত ৮টা
৬৬.০০
২০ মিনিটপরপর
কংস গেইটলক সার্ভিস
হালুয়াঘাট
পাটগুদাম
সকাল ৮টা
সন্ধা ৬টা
৫২.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
হালুয়াঘাট
পাটগুদাম
সকাল ৭টা
রাত ৮টা
৬৬.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
জারিয়া বিরিশিরি
পাটগুদাম
সকাল ৭টা
রাত ৭টা
৫৭.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
হুগলা
পাটগুদাম
সকাল ৭টা
রাত ৭টা
৪৬.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
ধোবাউড়া
পাটগুদাম
সকাল ৮টা
রাত ৭টা
৪৭.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
ভৈরব
পাটগুদাম
সকাল ৮টা
সন্ধা ৫টা
১১৭.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
ত্রিশাল
মাসকান্দা
সকাল ৭টা
রাত ১০টা
২০.৬৪
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
ফুলবাড়ীয়া
ময়লাকান্দা
সকাল ৭টা
রাত ১০টা
২০.৬৪
২০ মিনিটপরপর
মহুয়া গেইটলক/ লোকাল
নেত্রকোনা
পাটগুদাম
সকাল ৭.৩০টা
রাত ৯টা
৩৭.০০
২০ মিনিটপরপর
প্রান্তিক সার্ভিস
টাঙ্গাইল
স্টেডিয়াম
সকাল ৬.৩০টা
রাত ৯টা
৯০.০০
২০ মিনিটপরপর
প্যাসিফিক
বেনাপোল
কাচারীঘাট
রাত ৯.৩০টা
------
৪৫০.০০
২০ মিনিটপরপর
লোকাল সার্ভিস
বগুড়া
স্টেডিয়াম
সকাল ৭টা
বিকাল
১৮০.০০
২০ মিনিটপরপর



করোনা ছুটির মধ্যে প্রতিদিন সঞ্চয়পত্র ক্রয়,নগদায়ন, মুনাফা উত্তোলন ও পুনঃবিনিয়োগও করতে পারবেন আপনি

করোনা ছুটির মধ্যে প্রতিদিন সঞ্চয়পত্র ক্রয়,নগদায়ন, মুনাফা উত্তোলন ও পুনঃবিনিয়োগও করতে পারবেন আপনি

সাধারণ ছুটির মধ্যে প্রতিদিন সঞ্চয়পত্র ক্রয়, মুনাফা উত্তোলন ও পুনঃবিনিয়োগও করতে পারবেন গ্রাহক। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

Watch This News Video 

নির্দেশনায় বলা হয়, করোনার বিস্তার রোধে সাধারণ ছুটিতে বিভিন্ন ব্যাংকিং লেনদেন-কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিভিন্ন জাতীয় সঞ্চয় সার্টিফিকেট মেয়াদপূর্তিতে নগদায়ন এবং কুপনের অর্থ পরিশোধের কার্যক্রম চালু রয়েছে। এখন থেকে সঞ্চয়পত্রের যাবতীয় লেনদেন কার্যক্রম (বিক্রয়, নগদায়ন ও পুনর্ভরণসহ) চালু থাকবে।

সাধারণ ছুটি চলাকালীন প্রতিদিন সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে। পাশাপাশি মুনাফা উত্তোলন ও পুনঃবিনিয়োগও করতে পারবে গ্রাহকরা। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট।
করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ঘোষিত সাধারণ ছুটি শুরুর পর থেকেই নতুন করে কেউ আর সঞ্চয়পত্র কিনতে পারতেন না। পরে গেল সপ্তাহে দু’দিন বুধ ও বৃহস্পতিবার লেনদেন করার সুযোগ পান গ্রাহকরা। তবে বেশ কিছু দিন সঞ্চয়পত্রের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক গ্রাহক মুনাফার টাকা উত্তোলন করতে পারেননি।  একই সঙ্গে নতুন করে সঞ্চয়পত্র কেনা ও পুনঃবিনিয়োগেরও সুযোগ হয়নি। তাই গ্রাহকের কথা চিন্তা করে ছুটির মধ্যে সঞ্চয়পত্রের কার্যক্রম প্রতিদিন করার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
Some Photo Clips of this News






ফরিদপুর শহরের রথখোলা ও সিএন্ডবি পতিতালয় | যৌন পল্লী পরিচিতি । Faridpur Brothel in Bangladesh

ফরিদপুর শহরের রথখোলা ও সিএন্ডবি পতিতালয় | যৌন পল্লী পরিচিতি । Faridpur Brothel in Bangladesh

 ফরিদপুর পতিতালয় আসার উপায় ভাড়া গোপন ভিডিও ও অন্যান্য বিস্তারিত এই ভিডিওতে যা যা জানতে ও দেখতে পারবেনঃঃ---

 ফরিদপুর পতিতালয়,ফরিদপুর শহরের রথখোলা,বিভিন্ন বিভাগীয় শহর থেকে কিভাবে আসবেন ? ভাড়া কত ? কোথায় থাকবেন, পল্লির ভেতরের গোপন ভিডিও ইত্যাদি ।

 ফরিদপুর বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগ এর ফরিদপুর জেলার একটি উল্লেখযোগ্য শহর।ঢাকা থেকে ফরিদপুরে সাধারনত সড়ক পথেই যাতায়াত করা হয়ে থাকে। ঢাকা থেকে ফরিদপুরে সড়ক পথে যাতায়েত করতে সময় লাগে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা, তবে ফেরী পারাপারের সময় যানজট থাকলে সময় বেশী লাগে।

পরিবহনে যাত্রী প্রতি ভাড়া = ১৮০/- টাকা।

 গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেশ কয়েকটি বাস ফরিদপুরের উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। এ সব বাস গুলোর মধ্যে আনন্দ পরিবহন, আজমিরী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, নাবিল পরিবহন, দ্রুতি পরিবহন, শাপলা পরিবহন ও সোহাগ পরিবহন অন্যতম। গাবতলী থেকে পাটুরিয়া পর্যন্ত কিছু বাস চলাচল করে। পাটুরিয়া থেকে লঞ্চে করে গোয়ালন্দ ঘাট যাওয়া যায়। সেখান থেকে অন্য বসে উঠে ফরিদপুর যাওয়া যায়। তবে খুলনা ও যশোর রুটের অনেক গাড়ী লঞ্চে যাত্রী পারাপার করে থাকে। লঞ্চে যাতায়াত করলে সময় ও অর্থ দুটোই কম লাগে।

 ফরিদপুরে যাওয়ার পর ভ্রমণকারীর থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল। ফরিদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে আবাসিক হোটেল গুলোর দূরত্ব মাএ ১ কিলোমিটার, রিক্স ভাড়া ১০ টাকা। আবাসিক হোটেলের সর্বনিম্ন ভাড়া ৮০ টাক সর্বোচ্চ ভাড়া ৯০০ টাকা। আবাসিক হোটেল গুলোতে সিঙ্গেল ও ডাবল উভয় বেড রয়েছে। সরকারি কর্মকতা ও কর্মচারীদের জন্য রয়েছে সার্কিট হাউজ।

 Photos of Faridpur Brothel in Bangladesh











Followers

Total Pageviews